Beta
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ফানুস-আতশবাজির নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই শুরু নতুন বছর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত দুইদিন ধরে ঘুরেছে কয়েকটি ছবি। তার একটিতে লেখা ছিল ‘নিউ ইয়ারের ফানুসে, আগুনে না পোড়াক মোদের বাসা, মানুষে!’ পাশাপাশি আতশবাজি ও ফানুসের কারণে কত ক্ষতি হয় সে তথ্য জানিয়ে নতুন বছর উদযাপনে আতশবাজি পোড়ানো বা ফানুস না ওড়ানোর আহ্বান জানায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ আর্জি বা ফায়ার সার্ভিসের আহ্বানে তেমন সাড়া মেলেনি। নতুন বছরের প্রথম রাতে ঢাকার আকাশ ছিল ফানুস ও আতশবাজির ঝলকানিতে আলোকিত, আর শব্দে মুখর।

খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের আরেকটি বছর শেষ হয়ে রবিবার রাত ১২টায় শুরু হয় নতুন বছর। বিশ্বজুড়ে নতুন বছরের আগমন ঘিরে বিদায়ী বছরের শেষ রাতটি থার্টিফার্স্ট নাইট হিসেবে নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।

রবিবার ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছোয়ার অনেক আগেই ঢাকাজুড়ে শুরু হয় পটকা-আতশবাজি ফোটানো, ফানুস ওড়ানো। যদিও থার্টিফার্স্ট নাইট সামনে রেখে ঢাকায় সব ধরনের আতশবাজি, মশাল মিছিল, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, “থার্টিফার্স্ট নাইট ঘিরে কেউ যদি ফানুস, আতশবাজি, পটকা বা গুলি ছোড়ে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “ডিএমপি কমিশনার থার্টিফার্স্ট নিয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার পরও যদি কেউ ফানুস ওড়ায়, আতশবাজি ফোটায় বা অস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়ে তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হবে।”

কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা বা সতর্কতা মানুষকে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ফানুস ওড়ানো বা পটকা ও আতশবাজির ফোটানো থেকে বিরত রাখতে পারেনি। আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তারা জানান দেয় নতুন বছরের আগমনী বার্তা।

এদিকে, খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষে রবিবার বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পৃথক বাণীতে তারা খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৪ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist