Beta
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪
Beta
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

রড কাটার সময় স্ফুলিঙ্গ ছিটকে ফিলিং স্টেশনে আগুন, দগ্ধ ৫

রড কাটার সময় স্ফূলিঙ্গ ছিটকে তেলবাহী গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
রড কাটার সময় স্ফূলিঙ্গ ছিটকে তেলবাহী গাড়িতে আগুন ধরে যায়। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
Picture of আঞ্চলিক প্রতিবেদক, সিলেট

আঞ্চলিক প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেট নগরীতে একটি  সিএনজি ফিলিং স্টেশনে আগুন লেগে পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরের পাঠানটুলা এলাকার নর্থ-ইস্ট সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনে রড কাটার সময় স্ফুলিঙ্গ ছিটকে একটি তেলবাহী গাড়িতে আগুন ধরে যায়। পরে স্টেশনের লোকজন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভায়।

সিলেট সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর জানান, পাঠানটুলা এলাকার নর্থ-ইস্ট সিএনজি রি-ফুয়েলিং স্টেশনের পাশে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিকের) ড্রেন সংস্কারের কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এক শ্রমিক ফুয়েলিং স্টেশনে গাড়িতে গ্যাস দেওয়ার একটি মেশিনের কাছেই রড কাটার দিয়ে রড কাটছিলেন। এসময় স্ফুলিঙ্গ ছিটকে গিয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তেলবাহী গাড়ির নিচে পড়লে আগুন জ্বলে ওঠে।

তিনি জানান, সঙ্গে সঙ্গে সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তালতলা স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস ইউনিট ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ফিলিং স্টেশনের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মাধ্যমে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

সাজলু লস্কর জানান, এ ঘটনায় পাঁচজন আগুনে দগ্ধ হন। তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন– ঘাসিটুলা বেতেরবাজার এলাকার জাফর আলীর ছেলে মো. মনতাজ মিয়া (৩৫), একই এলাকার মঙ্গল মিয়ার ছেলে মো. লিটন মিয়া (২৫), মতি মিয়ার ছেলে মো. আলম মিয়া (২৩), মিছির আলীর ছেলে মো. মতি মিয়া (৬০), রজনি চন্দ্র দাসের ছেলে সুভাষ দাস (৫৫)।

খবর পেয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী হাসপাতালে যান। তিনি আহতদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান ডা. এম এ মান্নান জানান, অগ্নিদগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে দুইজনের শরীরের ৩৫ ভাগ পুড়ে গেছে। বাকি দুইজনের ৩০ ভাগ, আর একজনের ২৮ ভাগ দগ্ধ হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমাদের হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মোট পাঁচজন রোগী এসেছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের মুখমণ্ডলসহ শরীরের প্রায় ৩৫ ভাগ পুড়ে গেছে। মুখমণ্ডল ও কণ্ঠনালী পোড়া ভালো লক্ষণ না। এক্ষেত্রে পোড়ার পরিমাণ কম হলেও তাদেরকে গুরুতর হিসেবেই ধরে নিতে হবে।”

ডা. মান্নান বলেন, “চিকিৎসা চলছে, প্রয়োজন পড়লে তাদের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে। অবস্থা খারাপ হলে প্রয়োজনে তাদের ঢাকাতেও স্থানান্তর করা হতে পারে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত