Beta
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪
Beta
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

১৭ ঘণ্টা পর উড়ল এয়ার অ্যারাবিয়ার সেই ফ্লাইট

এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি উড়োজাহাজ।
এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি উড়োজাহাজ।
Picture of বিশেষ প্রতিনিধি, সকাল সন্ধ্যা

বিশেষ প্রতিনিধি, সকাল সন্ধ্যা

কারিগরি ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে আটকে পড়া এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইটটি অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

চট্টগ্রামে বিমানবন্দরে আটকে পড়ার ১৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে ১৯১ যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গন্তব্যস্থল সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ১৯১ যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর রানওয়ের মাঝখানে আটকে গিয়েছিল এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইটটি। পরে উড়োজাহাজটিকে টেনে বিমানবন্দরের কাছে অ্যাপ্রোনে নেওয়া হয়। ওই সময় ফ্লাইট চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। পরে স্বাভাবিক হয় বিমান চলাচল।

উড়োজাহাজের হাইড্রোলিক সমস্যার কারণে এই জটিলতা দেখা দেয় বলে জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টরা। পরে শারজাহ থেকে আরেকটি ফ্লাইটে উড়োজাহাজের যন্ত্রটি আনা হয়, একইসঙ্গে আসে প্রকৌশলী দল। ত্রুটি সারানোর পর ফ্লাইটটি শুক্রবার রাত দেড়টায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ছেড়ে যায়।

কারিগরি ত্রুটি সারানো পর্যন্ত সেই ফ্লাইটে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা ১৯১ যাত্রীকে নগরীর একাধিক হোটেলে রাখে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। এরপর রাত সাড়ে ১২টায় যাত্রীদের চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আনা হয়। পরে তাদের নিয়ে উড়াল দেয় উড়োজাহাজটি।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে রাত ১০টার পর সাধারণত যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল করে না। অর্থ্যাৎ শিডিউল ফ্লাইট রাত ১০টার পর নেই। ফলে ১০টার পর বিমানবন্দরে কাস্টমস টিম থাকে না, থাকে না পুলিশের ইমিগ্রেশন টিমও।

ফলে রাত দেড়টায় কীভাবে উড়োজাহাজটি ছেড়ে গেল জানতে চাইলে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “কারিগরি ত্রুটিসহ বিভিন্ন কারণে ফ্লাইটের শিডিউল টাইম বৃদ্ধি করতে হয়। এয়ার অ্যারাবিয়া ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ সময় বাড়ানোর আবেদন করে। ফলে আমরা সেভাবে টিমকে প্রস্তুত করি।”

জানান বলেন, শুক্রবার সকালেই ১৯১ যাত্রীর সবাই ইমিগ্রেশন শেষ করেছিল। কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে উড়োজাহাজটি নির্দিষ্ট সময়ে উড়তে পারেনি। তাই যাত্রীদের নগরীর হোটেলে নিয়ে রাখা হয়। রাতে তাদের আবার ফেরত আনা হয় বিমানবন্দরে।

তসলিম আহমেদ বলেন, বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় অবশ্যই সব যাত্রীকে নির্ধারিত প্রসিডিউর মানতে হবে। তাই সবাইকে আবার ইমিগ্রেশনসহ সব কাজ নতুন করেই করতে হয়েছে। এজন্য বিশেষ ব্যবস্থায় টিম প্রস্তুত ছিল। ফলে কোনও অসুবিধা হয়নি। রাত ১টা ৪০ মিনিটে ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম ছাড়ে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত