Beta
রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪

‘যারা ছাদের দিকে গেছে তারা বাঁচতে পারছে’

আগুন লাগার পরপরই লোকজনকে বের করে আনতে মই নিয়ে যান আরেকটি ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
আগুন লাগার পরপরই লোকজনকে বের করে আনতে মই নিয়ে যান আরেকটি ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা। ছবি : সকাল সন্ধ্যা

ঢাকার বেইলি রোডে ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনটিতে আগুন লাগার পরপরই সাহায্য করতে ছুটে গিয়েছিলেন আশপাশের লোকজন। আটকে পড়া লোকজনকে উদ্ধারে ছুটে গিয়েছিলেন ভবনটির বিপরীতে থাকা শপিং মল ‘নাভানা বেইলি স্টারে’র নিরাপত্তাকর্মীরাও। তবে খুব বেশি মানুষকে তারা উদ্ধার করতে পারেননি।

নাভানা বেইলি স্টারের নিরাপত্তা কর্মীরা সকাল সন্ধ্যাকে জানান, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে আসার আগেই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। এর মধ্যে নাভানা বেইলি স্টারের নিরাপত্তাকর্মীরা মই নিয়ে ছুটে যান আগুন লাগা ভবন থেকে লোকজনকে বের করে আনতে।

আগুন এত দ্রুত ছড়াবে তা ভাবতে পারেননি জানিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বলেন, আগুন নেভাতে তারা নিজেদের সরঞ্জামও ব্যবহার করেছেন। তবে কিছুতেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

নিরাপত্তাকর্মীদের একজন কুদ্দুস মিয়া সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “মই নিয়ে গেলেও বেশি মানুষ আমরা নামাতে পারিনি। ১০-১৫ জনকে মই দিয়ে নামাতে পেরেছি।”

তিনি বলেন, “যখন আমরা মই দিয়ে আর (মানুষকে) নামাতে পারছিলাম না, তখন আমরা সবাইকে বলছিলাম— আপনারা ছাদের দিকে চলে যান।”

“যারা ছাদের দিকে গেছে তারা বাঁচতে পারছে, আর যারা ছাদে উঠতে পারে নাই, তারা (বাঁচতে) পারে নাই”, বলেন কুদ্দুস।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনটিতে আগুন লেগে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভবনটিতে কাচ্চি ভাইসহ বেশ কয়েকটি খাবারের দোকান, মোবাইল ফোন ও কাপড়ের দোকান ছিল। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ভবনটিতে থাকা অনেক দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা বলছেন, ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপনী সরঞ্জাম ছিল না। তাছাড়া আগুন লাগলে দ্রুত বের হওয়ার জন্য জরুরি ‘ফায়ার এক্সিট’ও ছিল না ভবনটিতে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist