Beta
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪
Beta
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪

তবুও গর্বিত বার্সেলোনা

এগিয়ে গিয়েও জিততে পারেনি বার্সেলোনা। ছবি: টুইটার
এগিয়ে গিয়েও জিততে পারেনি বার্সেলোনা। ছবি: টুইটার
Picture of ক্রীড়া ডেস্ক

ক্রীড়া ডেস্ক

লা লিগার শিরোপা একরকম হাত ফসকে গেছে। শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে পিছিয়ে ৮ পয়েন্টে। কোপা দেল রে থেকেও বিদায় নিয়েছে। আশার আলো যা জ্বালাচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ। সেখানেও খুব একটা স্বস্তিতে নেই বার্সেলোনা। বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাপোলির মাঠ থেকে ১-১ গোলে ড্র করে এসেছে তারা।

স্তাদিও ডিয়েগো ম্যারাডোনায় লিড নিয়েও সেটি ধরতে রাখতে পারেনি বার্সেলোনা। চমৎকার ফুটবল প্রদর্শনীর পরও গোল পেতে তাদের অপেক্ষায় থাকতে হয় ৬০ মিনিট পর্যন্ত। যখন জাল খুঁজে নেন রবার্ত লেভানদোভস্কি। যদিও নাপোলি ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি। ৭৫ মিনিটে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান ভিক্তর ওসিমেন। গত ডিসেম্বরের পর প্রথমবার মাঠে নেমেই গোল করে দলকে রক্ষা করেছেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার।

এগিয়ে গিয়েও জিততে না পারায় এখন দ্বিতীয় লেগের ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে বার্সেলোনাকে। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে না পারলেও কোচ জাভি কিন্তু শিষ্যদের পারফরম্যান্সে গর্বিত। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, “এটা আসলে অম্লমধুর অনুভূতি। কারণ ম্যাচটা একসময় আমাদের হাতেই ছিল। আমরা ভালো খেলেছি। আমাদের ডিফেন্সও দারুণ ছিল। নাপোলি খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।”

সঙ্গে যোগ করেছেন, “এগিয়ে গিয়েও জিততে না পারাটা কষ্টের। যদিও দারুণ পারফরম্যান্স ছিল। ইউরোপে (চ্যাম্পিয়নস লিগে) আমরা আমাদের যে ছবিটা দেখালাম, তাতে আমি গর্বিত। আমরা এই বার্সেলোনাকেই চাই। শুধু এখানে পরিপক্কতার অভাব আছে।”

বার্সেলোনা কোচ জাভি। ছবি: টুইটার

২০২১ সালের পর এবারই প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউটে খেলতে নেমেছিল বার্সেলোনা। প্রতিপক্ষের মাঠে গিয়ে জিততে না পারলেও সুযোগ তৈরি করেছে অনেক। তবে নাপোলির গোলকিপারের চমৎকার সব সেভে গোল পাওয়া হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে লেভানদোভস্কি গোলের তালা খুললেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হয়নি সফরকারীদের।

হেরেই গেছে আর্সেনাল

আগের ম্যাচেই, প্রিমিয়ার লিগে বার্নলিকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রস্তুতি সেরেছিল আর্সেনাল। তবে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে মহাদেশীয় প্রতিযোগিতায় আসতেই মাটিতে নামতে হলো গানারদের। পোর্তোর কাছে ১-০ গোলে হেরেছে প্রিমিয়ার লিগের দলটি।

বল পজেশন আর্সেনালের কাছে বেশি থাকলেও ম্যাচের কর্তৃত্ব ছিল পোর্তোর দখলে। ঘরের মাঠে কাউন্টার অ্যাটাকনির্ভর ফুটবল খেলে মাঝেমধ্যেই কাঁপিয়ে দিয়েছে আর্সেনালের রক্ষণ। বিপরীতে পোর্তোর রক্ষণে সেভাবে ভয়ই ছড়াতে পারেনি গানাররা। যে দল আগের ম্যাচে ৫ গোল দিয়েছে, এই ম্যাচে তারা একবারও লক্ষ্যে শট করতে পারেনি!

তারপরও গোলশূন্য ড্রতে শেষ করতে পারলে ফল মন্দ হতো না। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে সর্বনাশ। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে পোর্তোকে জয় এনে দেন গালেনো।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত