Beta
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৪

শান্তর সেঞ্চুরিতে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা

শান্ত-০৬১

টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার ভুলিয়ে দেয়ার শুরুটা দারুণ ভাবে করল বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে এই ফরম্যাটে নিজেদের সেরা সময়ও ফিরে পেল দল। তাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের জয় এসেছে। লঙ্কানদের দেয়া ২৫৫ রানের জবাবে বাংলাদেশ করেছে ৪ উইকেটে ২৫৭ রান।

চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলেছেন অধিনায়ক শান্ত। পূর্ণাঙ্গ অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ওয়ানডেতেই এই সাফল্য তার। অসাধারণ ইনিংস শেষে অপরাজিত ছিলেন ১২৯ বলে ১২২ রানে। সঙ্গে মুশফিকুর রহিমের ৮৪ বলে ৭৩ রানের অপরাজিত ফিফটিতে সহজ জয়ই পেয়েছে বাংলাদেশ।

লঙ্কানদের বিপক্ষে আগের দুটি ইনিংসেও ফিফটি ছাড়ানো স্কোর ছিল শান্তর। ২০২৩ সালে পাল্লেকেলেতে ৮৯ আর গত বিশ্বকাপে দিল্লিতে ৯০ রান। দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি মিস করলেও বুধবার কোন ভুল করেননি।

লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩ ম্যাচ থেকে ৩০১ রান তার। যা শান্তর ক্যারিয়ারে এক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কাকে তার প্রিয় বিপক্ষ বলাই যায়। তাদের সঙ্গেই টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিও পেয়েছিলেন শান্ত।

বুধবার লঙ্কানদের বিপক্ষে ১১তম জয়ের পথে পঞ্চম উইকেটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৬৫ রানের জুটির রেকর্ড গড়েছেন শান্ত ও মুশফিক। দলীয় ৯২ রানে জুটি বেঁধে খেলা শেষ করে মাঠ ছেড়েছেন তারা।

অথচ শুরুটা ভালো ছিল না মোটেও। মাত্র ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল স্বাগতিকরা। লিটন ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো গোল্ডেন ডাক মারলেন। সৌম্য ভুল শটে উইকেট বিলিয়ে দিলেন আর তওহিদ হৃদয় বলের লাইন মিস করে বোল্ড হলেন। তিন ব্যাটারের দ্রুত বিদায়ে ২৫৫ কেও তখন কঠিন মনে হচ্ছিল।

কিন্তু ইনফর্ম মাহমুদউল্লাহর ছোঁয়ায় সাহস পেলেন শান্ত। অভিজ্ঞ সতীর্থের ছন্দ চলে এল তার ব্যাটে। দুজনে মিলে নির্ভুল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান ৬৯ রানের জুটিতে। মাহমুদউল্লাহ ভালো সময় উপহার দিয়ে ৩৭ বলে ৩৭ করে ফেরেন।

ততক্ষণে চট্টগ্রামে “ডিউ ফ্যাক্টরের” কাজ শুরু হয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটে নাম করা লঙ্কান দুই স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ও মাহেশ থিকসানা শিশির ভেজা বল গ্রিপ করতে পারছিলেন না ঠিকঠাক। লঙ্কান পেসারদেরও একই দশা। চেনা চট্টগ্রামের উইকেটে তাই আর ভয়ে ছিলেন না।

সেই থেকে শান্তর মসৃণ পথচলা। লঙ্কান বোলারদের সব আক্রমণে কাট, আপারকাট, ড্রাইভ, পুলসহ দারুণ সব শটে ইনিংস সাজান। আত্মবিশ্বাসী ইনিংসটিতে একবারের জন্যও তাতে দ্বিধায় ভুগতে হয়নি। তাই ৯৯ রানেও অনায়াসে সিঙ্গেল নিতে পারেন। চট্টগ্রামের রাতের অন্ধকারে আলো হয়ে সেঞ্চুরি উদযাপন করেন। দলকে এনে দেন দাপুটে জয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist