Beta
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ফুটবল-রাজ্যে নতুন রাজা বেলিংহাম

‘হেই জুড’- ১৯৬৮ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বিটলস’-এর বিখ্যাত গান। ৫৫ বছর পর গানটি আবার আলোচনায় জুড বেলিংহামের সৌজন্যে। রীতিমতো রিয়াল মাদ্রিদের থিম সং-এ পরিণত করেছেন গানটি। ইংলিশ তরুণ গোল উৎসব করছেন মাঠে, আর গ্যালারিতে ‘হেই জুড’ গানে সুর বাঁধছেন রিয়াল সমর্থকরা।

মাদ্রিদের ক্লাবটির নতুন আশা তিনি। ২০ বছর বয়সে কাঁপিয়ে দিচ্ছেন স্প্যানিশ ফুটবল। তবে ফুটবলে নিজের ছাপ ফেলেছেন আরও আগে। বার্মিংহাম সিটি দিয়ে পেশাদারি ক্যারিয়ার শুরু এই মিডফিল্ডারের। ইংলিশ ক্লাবটিতে তার পারফরম্যান্স এতটাই অসাধারণ ছিল যে, ২০২০ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডে পাড়ি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বার্মিংহাম সিটি তার ২২ নম্বর জার্সি পাঠিয়ে দেয় ‘অবসরে’। অবাক করার ব্যাপার হলো, বেলিংহামের বয়স তখন মাত্র ১৭!

রিয়ালে তাকে নিয়ে এই যে উচ্ছ্বাস, এর আগেই ‘বিরাট’ অর্জন সঙ্গী হয়েছে বেলিংহামের। হ্যাঁ, বার্মিংহাম সিটি ক্লাব হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের ধারেকাছেও নেই। কিন্তু ১৭ বছর বয়সের একজন খেলোয়াড়ের জন্য জার্সি অবসরে পাঠানোর ঘটনা নিশ্চিতভাবেই ভীষণ অনুপ্রেরণার।

বার্মিংহাম সিটি কেন বেলিংহামের জার্সি তুলে রেখেছে, তার প্রমাণ এখন রিয়ালের প্রতি ম্যাচেই দেখতে পায় ফুটবল বিশ্ব। ‍ফুটবল-রাজ্যে তিনি হয়ে উঠেছেন নতুন রাজা!

বেলিংহামের উত্থান

ইংল্যান্ডের স্টোরব্রিজে জন্ম বেলিংহামের। স্থানীয় ক্লাব দিয়েই ফুটবলে তার পা রাখা। ২০১০ সালে বার্মিংহাম সিটির একাডেমিতে যোগ দেন অনূর্ধ্ব-৮ পর্যায়ে। একাডেমির ৯ বছরের দীক্ষা শেষে ২০১৯ সালে অভিষেক মূল দলে। দুই পায়ে সমান দক্ষ বেলিংহাম নজরে পড়ে যায় ডর্টমুন্ডের। বার্মিংহাম সিটির সিনিয়র পর্যায়ে এক বছর খেলার সুযোগ পেয়েছেন। এরপর ২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে পাড়ি জমান জার্মানিতে। সেখানে আর্লিং হলান্ডের সঙ্গে জুটি বেঁধে বুন্দেসলিগার শিরোপা লড়াইয়ে রাখেন ডর্টমুন্ডকে।

ততদিনে অনেক ক্লাবের রাডারে চলে আসেন বেলিংহাম। ম্যানচেস্টার সিটি, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো ক্লাব চেয়েছিল ইংলিশ তরুণকে। রিয়াল মাদ্রিদও পাখির চোখ করে রেখেছিল তার ওপর। শেষ পর্যন্ত স্প্যানিশ ক্লাবটিই সফল। গত গ্রীষ্মের দলবদলে ১০৩ মিলিয়ন ইউরোতে বেলিংহামকে ঘরে তোলে মাদ্রিদের অভিজাতরা।

মোটা অঙ্কের ট্রান্সফার ফি। প্রত্যাশার পারদ চড়তে থাকে। সমান্তরালে আশঙ্কার কথা বলতে থাকেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা- “চাপে না ভেঙে পড়েন বেলিংহাম”। উদাহরণ হিসেবে কেউ কেউ আরেক ব্রিটিশ ফুটবলার গ্যারেথ বেলের কথা সামনে আনেন। ক্লাব ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে বেলকে দলে এনেও প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি মেলাতে পারেনি মাদ্রিদের ক্লাবটি।

বেলিংহাম মূলত মিডফিল্ডার। সুযোগসন্ধানী ফুটবলে গোল করতেও পারদর্শী। কিন্তু রিয়ালে দেখা মিলছে অন্য বেলিংহামের। চাপ-তাপ সবকিছুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দোর্দণ্ড প্রতাপে হাজির হচ্ছেন প্রত্যেক ম্যাচে। সাদা জার্সিতে অভিষেকেই গোল। পরের ম্যাচেও গোল, এর পরের ম্যাচেও…। চলতেই থাকল বেলিংহামের স্বপ্নযাত্রা। এখনও চলছে।

রোনালদোর সঙ্গে তুলনা

বেলিংহামের ব্যাপারটা রিয়ালে এমন- এলেন, খেললেন, জয় করলেন। অল্প সময়ের মধ্যে পরিণত হয়েছেন রিয়ালের মধ্যমণি। আর এখানেই চলে আসে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর কথা। এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের পর আর কোনও ফুটবলার রিয়ালে এমন দাপটের সঙ্গে নিজের আবির্ভাবের কথা জানান দিতে পারেননি।

২০০৯ সালে দলবদলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়ালে যোগ দিয়েছিলেন রোনালদো। মাদ্রিদে প্রথম ম্যাচেই গোল পেয়েছিলেন। বেলিংহামও পেয়েছেন। তবে এক ম্যাচ দিয়ে কি আর রোনালদোর সঙ্গে তুলনায় বসা যায়! বেলিংহামকে নিয়ে আশা বাড়লেও তাতে উচ্চাশা ছিল না। কিন্তু এই তরুণ থামলেন না। প্রতি ম্যাচেই গোল করতে থাকলেন। রসদ যোগ হতে থাকল রোনালদোর সঙ্গে তুলনায় দাঁড় করানোর।

রিয়ালের জার্সিতে প্রথম ১০ ম্যাচে বেলিংহামের ১০ গোল। রোনালদোর পরিসংখ্যানও ছিল ঠিক তাই। এরপর ১৩ ম্যাচে বেলিংহামের ১৩ গোল। ম্যাচ ও গোলের বিচারে রোনালদোও ছিলেন একই অবস্থানে। আগামীতে গোলের এই ধারা তিনি ধরে রাখতে পারবেন কিনা, সেটা সময়ই বলবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রিয়াল সমর্থকদের কাছে তিনি ক্লাবের ‘নতুন রোনালদো’।

তাদের এই দাবির যৌক্তিকতা আরও ফুটে উঠেছে এল ক্লাসিকোর পারফরম্যান্সে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার মাঠে বেলিংহামের পারফরম্যান্স ছিল চোখজুড়ানো। জোড়া গোল করে এল ক্লাসিকো জয়ের নায়ক যে তিনিই। এরপর জিরোনার বিপক্ষেও দাপুটে পারফরম্যান্স। লিগ টেবিলে শীর্ষে বসার লড়াইয়ে ব্যবধান গড়ে দিলেন ইংলিশ তারকা। তার জোড়া লক্ষ্যভেদে ৪-০ গোলের জয়ে শিরোপার পথে বড় ধাপ ফেলেছে রিয়াল।

স্প্যানিশ ফুটবলে প্রভাব

রোনালদো স্পেন ছেড়েছেন ২০১৮ সালে। ওদিকে লিওনেল মেসি বার্সেলোনা ছেড়েছেন ২০২১ সালে। স্প্যানিশ ফুটবলে তৈরি হয় বড় শূন্যতা। সেই শূন্যতা পূরণে বড় ভূমিকা রাখছেন বেলিংহাম। এল ক্লাসিকোর লড়াই এখানে বড় উদাহরণ হতে পারে। এই ইংলিশ মিডফিল্ডারের জাদুকরি পারফরম্যান্সে এল ক্লাসিকোর উত্তাপ যেমন ফিরেছেন, তেমনি স্প্যানিশ ফুটবলের সুবাস ফের ছড়িয়েছে বিশ্বে।

দর্শকের বিচারে প্রিমিয়ার লিগের রাজত্ব অনেকদিনের। তবে প্রচারের আলোয় সবসময় থাকতো লা লিগা। কারণ মেসি ও রোনালদোর উপস্থিতি। তাদের যেকোনও ইস্যু- সেটা সত্য কিংবা গুঞ্জন যাইহোক, ওত পেতে থাকতো সংবাদমাধ্যম। তাছাড়া এই দুজনের ব্যক্তিগত দ্বৈরথ আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছিল ফুটবল দুনিয়ায়।

ওই দ্বৈরথ আর কখনও ফিরবে কিনা, সেটা অন্য আলোচনা। তবে প্রচারের আলো যে আবার স্প্যানিশ ফুটবলে ফিরছে, সেটি স্পষ্ট বেলিংহামের সৌজন্যে।

আয় বাড়ছে রিয়ালের

গোটা স্প্যানিশ ফুটবলেই যদি প্রভাব ফেলেন বেলিংহাম, তাহলে রিয়ালে কতটা ফেলছেন, এটা বোধহয় বলার প্রয়োজন নেই। মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে ইতিমধ্যে সমর্থকদের হৃদয় জিতে নিয়েছেন তিনি। লা লিগার সঙ্গে রিয়ালের চ্যাম্পিয়নস লিগের আশাও বড় হচ্ছে এই তরুণ তুর্কির পায়ে। শুধু মাঠে নয়, তার সৌজন্যে ফুলেফেঁপে উঠছে রিয়ালের কোষাগারও।

রিয়ালে ৫ নম্বর জার্সি পেয়েছেন বেলিংহাম। লস ব্লাঙ্কোস সমর্থকদের ‘প্রিয়’ হয়েছে উঠেছে এই জার্সি। যেটির প্রভাব পড়েছে আসলে তিনি ক্লাবের আসার পরপরই। মাদ্রিদের ক্লাবটি একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, “ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চেয়ে ১০ গুণ বেশি বিক্রি হয়েছে বেলিংহামের জার্সি।” ক্রমশ বেড়েছে ৫ নম্বর জার্সি বিক্রি।

তবে বেলিংহামের জার্সি বিক্রি থেকে কত টাকা আয় হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা অ্যাডিডাস কেউই অঙ্কটা জানায়নি।

সতীর্থের বিচারে

রিয়ালে এসে অল্প সময়েই মানিয়ে নিয়েছেন বেলিংহাম। স্প্যানিশ ভাষাটাও রপ্ত করছেন একটু একটু করে। এত দ্রুত গুছিয়ে নিতে সতীর্থদের অবদান সামনে এনেছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে এই মিডফিল্ডার বলেছেন, “মাদ্রিদে দারুণ একটা স্কোয়াড। সতীর্থ হিসেবেও সবাই দারুণ। বোঝাপড়া খুব ভালো। মানিয়ে নিতে তাই সমস্যা হয়নি।”

সেই সতীর্থদের একজন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আক্রমণভাগে রিয়ালের বড় অস্ত্র তিনি। এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার বেলিংহামের প্রশংসায় পঞ্চমুখ, “সে অবিশ্বাস্য। সবসময় পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। এর আগে সমর্থকরা এটি দেখতো ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মাধ্যমে। আর এখন দেখছে জুড (বেলিংহাম) আসার পর।”

প্রতিপক্ষের চোখে

শুধু সতীর্থ নন, প্রতিপক্ষের কোচ-খেলোয়াড়দেরও মুগ্ধ করে যাচ্ছেন বেলিংহাম। রিয়াল কিংবা বার্সেলোনা, যে দলেই হোক, একজন খেলোয়াড়ের নিজেকে প্রমাণের সবচেয়ে বড় মঞ্চ এল ক্লাসিকো। সেই এল ক্লাসিকোই কাঁপিয়ে দিয়েছেন বেলিংহাম। অসাধারণ জোড়া গোলে বার্সেলোনা-জয় করার পর কাতালানদের কোচ জাভির প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি।

জাভি বলেছেন, “বেলিংহাম দারুণ খেলোয়াড়। ক্লাসিকোর আগেই তাকে নিয়ে কথা হয়েছে। সত্যিই সে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। দুটো গোল করেছে।”

চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে রিয়ালের প্রতিপক্ষ ছিল ইউনিয়ন বার্লিন। জার্মান ক্লাবটির কোচ নেনাদ বিয়েলিকা বলেছেন, “সে (বেলিংহাম) এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। অসাধারণ পারফর্ম করে যাচ্ছে। সে গোল করতে পারে, ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। তাকে আটকানোই আমাদের সবেচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”

আনচেলত্তির ভরসা

প্রতিপক্ষের কোচেরাই যখন এমন সব মন্তব্য করছেন, তাহলে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রশংসার মাত্রা কতটা হবে আঁচ করা যায়। ইতালিয়ান কোচ বেলিংহামের জন্য তার ফরমেশনই পাল্টে ফেলেছেন। করিম বেনজেমা ক্লাব ছাড়ার পর বেলিংহামের সেরাটা বের করে আনতে ৪-৪-২ ডায়মন্ড ফরমেশনে দলকে খেলাচ্ছেন আনচেলত্তি। এই ফরমেশনে ইংলিশ মিডফিল্ডারের সেরাটা বেরও করে আনছেন তিনি।

শিষ্যের পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি আনচেলত্তি, “শুরুতে কেউই আসলে অনুমান করতে পারেনি। যদিও সে তার প্রতিভার ঝলক শুরু থেকেই দেখিয়ে আসছে। ও অসাধারণ অ্যাটলেট। খুব পরিশ্রমী। সামনে ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।”

সঙ্গে যোগ করেছেন, “মাঠে তার পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। জার্মানিতে খেলতো বলে হয়তো তার ওইরকম পরিচিতি ছিল না। এখন যে ভূমিকায় ও খেলছে, আগে সেটাও ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ একটা দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাকে। ও ভীষণ মনোযোগী, সিরিয়াস ও খুব পেশাদার।”

বেলিংহামের পারফরম্যান্সের নেপথ্যে

আনচেলত্তির কথাগুলোর সঙ্গে মাঠের বেলিংহামকে মিলিয়ে নিন। ২০ বছরের একজন তরুণের মধ্যে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার কী মানসিকতা। রিয়ালে যোগ দেওয়াতেই কিনা তার মধ্যে জয়ের ক্ষুধা আরও বেড়েছে। নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “রিয়ালে এসে খেলোয়াড় হিসেবে আগের মৌসুম থেকে আমি ১০ গুণ ভালো।”

কীসের ছোঁয়ায় তার এত উন্নতি? ‘বড় ক্লাব’ রিয়াল এখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। রিয়ালের ফুটবল দর্শনের সঙ্গে হয়তো মিলে গেছে তার ফুটবলীয় মানসিকতা। তাছাড়া আনচেলত্তির ফুটবল দর্শনও রেখেছে ভূমিকা। নতুন কৌশলে যেভাবে তিনি রিয়ালকে খেলাচ্ছেন, তাতে সেরাটা বেরিয়ে আসছে ইংলিশ মিডফিল্ডারের।

যদিও রিয়ালের এক কর্তার বক্তব্য পুরোপুরি উল্টো। বেলিংহামের উন্নতি প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুনতেই ওই কর্তা বলেছেন, “এমন নয় যে মাদ্রিদে এসেছে বলে তার উন্নতি হয়েছে। বরং সে এসেছে বলে মাদ্রিদের উন্নতি হয়েছে।”

ইংল্যান্ডের নতুন আশা

মাদ্রিদের বেলিংহামে নতুন আশা দেখছে ইংল্যান্ড। ইংলিশ ফুটবলের নতুন ‘পোস্টার বয়’ এই তরুণ। ২০২০ সালে অভিষেকের পর জাতীয় দলের জার্সিতে খেলে ফেলেছেন ২৭ ম্যাচ। গোল ২টি। ২০২২ বিশ্বকাপেও খেলেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। সামনে আছে ইউরো। জার্মানির এই প্রতিযোগিতায় ইংলিশরা যে তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ইংল্যান্ডের কোচ গ্যারেথ সাউথগেট মনে করেন, তার মতো খেলোয়াড়কে দলে পাওয়াটা ‘সৌভাগ্যের’। ইউরোর মূল পর্ব নিশ্চিতের পর সাউথগেট বলেছিলেন, “বেলিংহামের মানসিকতা দুর্দান্ত। তার বয়সী কারও পক্ষে এমন পরিপক্কতা ও বুদ্ধিমত্তা দেখানো সত্যিই অবিশ্বাস্য। তাকে পাওয়াটা আমাদের সৌভাগ্য।”

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন

বেলিংহামে মুগ্ধ ফুটবল বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে সাবেক ফুটবলারা। এই মিডফিল্ডারকে নিয়ে এক নিবন্ধে বিশ্বকাপজয়ী জার্মান অধিনায়ক ফিলিপ লাম লিখেছিলেন, “বেলিংহাম একজন পরিপূর্ণ মিডফিল্ডার। সে ড্রিবল করতে পারে, পাস দিতে পারে, শট নিতে পারে এবং তার গোলক্ষুধা আছে। বলের সঙ্গে তার প্রথম ছোঁয়াটা অনন্য।”

পরের অংশে লিখেছেন, “শারীরিকভাবে সে দারুণ ফিট। তার মধ্যে কোনও ভয়ও নেই। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব নিতে পারে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist