Beta
সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না : বিজিবির ডিজি

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন বিজিবি মহাপরিচাল মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। ছবি : সকাল সন্ধ্যা

অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিজিবির মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। বুধবার বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে ওপার থেকে একের পর এক গোলা এসে পড়ছে বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্তের ভেতরে। তাতে দুজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। পরিস্থিতি এমন যে সীমান্তের কয়েকশ পরিবারকে বাড়ি থেকে সরিয়ে আনতে হচ্ছে।

এছাড়া মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ২৬৪ জন সদস্য সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজিবি তাদেরকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয় এবং আহতদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এমন পরিস্থিতিতেই বুধবার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনে যান বিজিবি মহাপরিচালক।

সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে জানিয়ে মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেন, “সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।”

তিনি বলেন, “পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”

দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে বলেও এ সময় তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বুধবার সকালে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এবং তৎসংলগ্ন বিওপি পরিদর্শন করেন। তিনি সীমান্তে দায়িত্বরত সকল পর্যায়ের বিজিবি সদস্যদের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় বিজিবি সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার, রামু সেক্টর কমান্ডার ও কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়কসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চিকিৎসাধীন বিজিপি সদস্যদের পাশে

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া আহত বিজিপি সদস্যদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

বুধবার বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন তিনি। কথা বলেন আহত বিজিপি সদস্য ও চিকিৎসকদের সঙ্গে। তাদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন ফল।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist