Beta
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিজিএমইএতে ৩৫ পরিচালক পদে লড়তে চান ৮১ জন

ভোটার তালিকা নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই বিজিএমইএ নির্বাচনে ৩৫টি পরিচালক পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৮১ জন। ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নির্বাচনকে সামনে রেখে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর দুটি প্যানেল থেকে এসব মনোনয়ন জমা পড়ে।

আগামী ৯ মার্চ এই পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন দুই প্যানেলের সাবেক ও বর্তমান শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। নির্বাচনে ঢাকা অঞ্চল থেকে ২৬ জন ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে ৯ জন পরিচালক নির্বাচন করা হবে।

ভোটকে সামনে রেখে এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে ভোটার তালিকা। তাতে মোট ভোটার সংখ্যা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৬ জন। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী প্রথমে ভোটার তালিকা তৈরি করা হয় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে। এরপরই সেই ভোটার তালিকা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

দুই প্যানেলের মধ্যে নির্বাচনী জোট ফোরামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভোটার তালিকাটি ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও অগ্রহণযোগ্য’। তাদের অভিযোগ, সদ্য প্রকাশিত প্রাথমিক ভোটার তালিকায় থাকা ৪২৯ জনের কর প্রদানের তথ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি সংগঠনের নির্বাচন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে ওই ভোটারদের নাম ও করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) সংবলিত একটি তালিকাসহ আপত্তিপত্র দেওয়া হয়। ফোরাম প্যানেল লিডার ফয়সাল সামাদের সই করা সেই আপত্তিপত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই করে আবার নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়।

এবারের নির্বাচনে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান তানভীরুর রহমান।

বিজিএমইএর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান নির্বাচনী প্যানেল সম্মিলিত পরিষদের নেতৃত্বে রয়েছেন। এর আগে সভাপতি ছিলেন ফোরাম প্যানেলের প্রতিনিধি রুবানা হক। গত কয়েক দশকে এ দুটি প্যানেলই সংগঠনটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

দুই প্যানেলের পক্ষ থেকে জানা যায়, সম্মিলিত পরিষদ থেকে প্রার্থী হয়েছেন ৪০ জন এবং ফোরাম থেকে প্রার্থী হয়েছেন ৪১ জন। ঢাকায় সম্মিলিত পরিষদের ৩১ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৯ জন প্রার্থী হয়েছেন। ফোরামের পক্ষ থেকে ঢাকায় ২৯ জন এবং চট্টগ্রামে ১২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

দুই প্যানেলের পক্ষ থেকেই জানানো হয় কোনও কারণে কারও প্রার্থীতা বাতিল হলেও যেন পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচন করা যায় সেজন্য পদের চেয়ে বেশি প্রার্থী জমা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে যথাসময়ে অতিরিক্ত প্রার্থী সরিয়ে নেওয়া হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তির ভিত্তিতে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টার মধ্যে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে পারবেন প্রার্থীরা। আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে পরদিন।

এবারের নির্বাচনে ফোরামের দলনেতা সংগঠনের সাবেক সহ-সভাপতি ফয়সাল সামাদ এবং ও সম্মিলিত পরিষদের প্যানেল লিডার বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি এস. এম মান্নান কচি।

এবারের নির্বাচনে বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বোর্ডের অন্য দুই সদস্য হলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি শমী কায়সার এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাবেক সভাপতি এ এস এম নাঈম।

অন্যদিকে আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান তানভীরুর রহমান। বাকি দুই সদস্য হলেন এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি খায়রুল হুদা ও পরিচালক নিজামুদ্দিন রাজেশ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist