Beta
শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

বশেমুরবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শঙ্খলা ভঙ্গ ও আইন অমান্য করায় গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) আট শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিন বিভাগে পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মো. দলিলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ নভেম্বর ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ফার্মেসি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রনি মৃধা এবং ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসাইন্স (এফএমবি) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী উজ্জ্বল আহমেদ সাকিবকে ‘আজীবন’ বহিষ্কার করা হয়েছে। মারামারিতে জড়িত থাকা ফার্মেসি ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু হেনা, চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান রুমান এবং এফএমবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম সাগরকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কারের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষা শেষে অতিরিক্ত উত্তরপত্র চুরি করে বাড়ি থেকে উত্তর লিখে অফিস সহায়কের মাধ্যমে মূল খাতায় সংযুক্ত করার অপরাধে তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মনোবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রেহানা আক্তার, লিওন সিকদার ও শিহাব ইসলামকে ৪ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর হাইকোর্টের নির্ধারিত নিয়মানুযায়ী ‘তাদের কেন বহিষ্কার করা হবে না’ এই মর্মে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থনের নোটিশ দেওয়া হয়। একই নোটিশে মারামারির ঘটনার ভুক্তভোগী এফএমবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাজ্জাদ হোসেন ও তার পরিবারকে তার আত্মহত্যার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব ও প্রক্টর ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের তদন্তে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তাছাড়া তাদের দেওয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের জবাব সন্তোষজনক ছিল না। তাই তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বশেমুরবিপ্রবির রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের সাত কর্ম দিবসে আত্মপক্ষ সমর্থনের নোটিশ দেওয়ার কথা থাকলেও তারা তা দিতে যথেষ্ট দেরি করে। তাছাড়া তাদের উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় ও দোষ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট আইন অমান্য করলে বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে। একথা উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আইনের প্রতি অনুগত ও শ্রদ্ধাশীল না থাকায় আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি, পরবর্তীতে আমাদের শিক্ষার্থীরা আরও সচেতন হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist