জামিন পেয়েছেন দানি আলভেস। তারপরও থাকতে হচ্ছে জেলে। কারণ তার জামিনের প্রধান শর্ত ছিল ১ মিলিয়ন ইউরো জামানত দিতে হবে। সেই টাকা দিতে পারেননি এখনও।
এর আগে নৈশক্লাবে আলভেসের ধর্ষণ মামলায় মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছিলেন নেইমার।
এবারও তাই অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, বন্ধুর বিপদে হয়ত এগিয়ে আসবেন নেইমার। কিন্তু নেইমারের বাবা ও এজেন্ট নেইমার সিনিয়র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কোন টাকা দিবেন না তিনি। শুক্রবার তাই মুক্তি মিলেনি আলভেসের।
পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে নেইমার সিনিয়র বলেছেন, বিচার চলার সময় আলভেসকে এর আগে আর্থিকভাবে সহায়তা করা হয়েছে। কিন্তু এখন আর সাহায্য করবেন না, কারণ আলভেস দোষী প্রমাণিত হয়ে শাস্তি পেয়েছেন। তার স্পষ্ট কথা, ‘‘
আমার জন্য, আমার পরিবারের জন্য বিষয়টি এখানেই শেষ। ফুল স্টপ।’’
আলভেস যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, সেগুলো নিজের পরিবারেই পাবেন বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেছেন নেইমার সিনিয়র।
বার্সেলোনায় লিওনেল মেসি, জাভি এর্নান্দেস, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাসহ অনেক তারকার সঙ্গেই খেলেছেন আলভেস। ব্রাজিলে খেলা সতীর্থদের অনেকে ধোনী। তারা কেউ এগিয়ে না এলে জেলেই থাকতে হবে ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ট্রফি জেতা এই ব্রাজিলিয়ানকে। তার আইনজীবী অবশ্য চেষ্টা করছেন ব্যাংক লোনের। সেটা হলেও ছাড়া পেতে পারেন আলভেস।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণ মামলায় সান্তোসে নিজ ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ব্রাজিলের সাবেক তারকা রবিনহোকে।
২০১৩ সালে ইতালির মিলানে আলবেনিয়ান এক নারীকে নৈশক্লাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে তার বিপক্ষে। সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে ৯ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন রবিনহো।