Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

মিয়ানমার নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতকে সতর্ক করলেন ডোনাল্ড লু

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।
Picture of সকাল সন্ধ্যা ডেস্ক

সকাল সন্ধ্যা ডেস্ক

রোহিঙ্গা সংকট ও মিয়ানমারের চলমান অস্থিরতায় সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে এবং প্রতিবেশি দেশগুলোতে এর প্রভাব অব্যাহত থাকবে বলে ঢাকা ও দিল্লি উভয়কেই সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।

এক্ষেত্রে ভারতসহ অন্য অংশীদারদের সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ে সফল কৌশলের উদাহরণ হিসেবে শ্রীলঙ্কার প্রশংসা করেন তিনি।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে থিংকট্যাংক ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিসে (ইউএসআইপি) যুক্তরষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের দুই বছরপূর্তি উপলক্ষে স্টেট ডিপার্টমেন্ট, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ও পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন লু।

ভারতের প্রতিবেশি নিয়ে ওয়াশিংটন ডিসির ভাবনার আভাস দিয়ে ডোনাল্ড লু বলেন, সম্প্রতি মালদ্বীপ সফরকালে তিনি দেশটির কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, অন্য দেশের সঙ্গে সত্যিকার প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হলেই চীন তাদের জন্য মূল্যবান অংশীদার হতে পারে।

মিয়ানমার নিয়ে ঝুঁকি

আঞ্চলিক মতানৈক্যের প্রশ্নে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাত এবং ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক ও গভীর সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে লু সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয় অঞ্চলে মিয়ানমার পরিস্থিতি কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে—সে বিষয়ে তিনি যথেষ্ট সময় ব্যয় করেছেন।

তিনি বলেন, “আমি বাংলাদেশ, সেখানে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বার্মায় অস্থিরতার প্রভাব এবং তা অঞ্চলটির জন্য কী— সে বিষয়ে অনেক সময় ব্যয় করেছি।”

“এক মিলিয়নেরও বেশি লোক, যারা সেখানে থাকছে তাদের জন্য ঢাকা যে উদারতা দেখিয়েছে তার সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করেছে।” যোগ করেন লু।

তিনি বলেন, “কক্সবাজারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের সুযোগ হয়েছিল, সেখানে অসাধারণ উদারতা দেখেছি, সেসব শরণার্থীকে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক মহলে  ইচ্ছা ও সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কর্মকাণ্ডও লক্ষ্য করেছি।”

মিয়ানমারের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে লু বলছেন, তা আগামীতে বাংলাদেশ ও ‘সম্ভবত ভারতের জন্যও’ শরণার্থী সংকট ও নিরাপত্তার সমস্যা আরও গভীর করতে পারে।

তিনি বলেন, “আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং এই অঞ্চলে আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতকে সমর্থন করতে হবে, যাতে তারা তাদের দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা বাড়তে না দিয়ে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে।”

চীনের বিরুদ্ধে যাওয়া ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বেইজিং কীভবে নিচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নতুন বিশ্বকে পরিচালনা করছে— এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে লু মালদ্বীপ নিয়ে উদাহরণ দেন।

তিনি বলেন, “এটি এমন জায়গা যেখানে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ অন্যান্য দেশ নিজেদের প্রভাব বিস্তারে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছে। আমরা ভালো প্রস্তাব দিয়ে প্রাধান্য পেতে পারি, আমার মত হলো- চীন তখনই একটি ভালো অংশীদার হবে, যখন সেখানে যথার্থ ও সত্যিকারের প্রতিযোগিতা থাকবে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত