Beta
রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪

কেজরিওয়ালকে ১০ দিনের রিমান্ডে চায় ইডি

ইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে।
ইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে।

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে শুক্রবার আদালতে তুলেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

কেজরিওয়ালকে দুর্নীতি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে সংস্থাটি। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আদালত তার সিদ্ধান্ত জানায়নি।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া কেজরিওয়াল আদালতে প্রবেশের সময় তাকে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরে।

এসময় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার জীবন দেশের জন্য উৎসর্গ করা। জেলে থাকলেও জাতির সেবা করে যাবো।” এর বেশি তিনি কিছু বলতে পারেননি।

আদালতে কেজরিওয়ালকে বিচারকের সামনে পেশ করার পর ইডি জানায়, আবগারি নীতি সংক্রান্ত দুর্নীতির ‘হোতা’ ও ‘মূল ষড়যন্ত্রকারী’ হলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার অপরাধের যথেষ্ট প্রমাণ ইডির কাছে রয়েছে বলেও জানানো হয়।

দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে ইডির পক্ষে কেজরিওয়ালকে প্রশ্ন করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু। 

আম আদমি পার্টির এই নেতার জামিনের বিরোধিতা করে ইডি আরও জানায়, দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কেজরিওয়াল। কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার জন্যই আবগারি নীতি প্রণয়ন করেছিলেন তিনি।

আবগারি দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার হন কেজরিওয়াল। নিয়ম অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে আদালতে হাজির করানো হয়।

দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে নয়বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু আটবারই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি।

শেষ পাঠানো সমনে বৃহস্পতিবার ইডি কার্যালয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু হাজিরা না দিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।

দিল্লি হাইকোর্ট অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আগাম জামিনের আবেদন নাকচ করার পরই দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ইডি।

সংস্থাটির কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ বাহিনী নিয়ে তার বাসভবনে হাজির হন। তল্লাাশি চলে তার বাড়িতে। ঘণ্টা দুয়েক তল্লাশির পর কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করে ইডি।

ভারতের অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ভোট শুরু হতে যখন একমাসেরও কম সময় বাকি, তখনই দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার করা হলো কেজরিওয়ালকে।

এনডিটিভি বলছে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানী শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিজেপির সদর দপ্তরের আশপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

একই সঙ্গে রাস্তায় কয়েক স্তরে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দিল্লি মেট্রোর আইটিও স্টেশন ও আম আদমি পার্টির কার্যালয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist