Beta
সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বন্ধ চান ফেরদৌস

সংসদ
রবিবারের অধিবেশনে ৭১ বিধির জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশে জাতীয় সংসদের মনোযোগ আকর্ষণ করে কথা বলেন ফেরদৌস

একবার ব্যবহার করে ফেলে দিতে হয় এমন প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধের দাবি দাবি তুলেছেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। এ ধরনের প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রবিবার অধিবেশনে ৭১ বিধির জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশে জাতীয় সংসদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এসব কথা বলেন এই জনপ্রতিনিধি।

নোটিশে ফেরদৌস আহমেদ বলেন, “প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রতিদিন অতিমাত্রায় প্লাস্টিক নির্ভর হয়ে পড়ছি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ওয়ান টাইম প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহারের পর তা যেখানে সেখানে ফেলে দিই। নির্বাচনী প্রচারসহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্যও এখন প্লাস্টিকে মোড়ানো পোস্টার ও লিফলেটের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ।

“প্রয়োজন শেষে ফেলে দেওয়া এ সব প্লাস্টিক বছরের পর বছর মাটির নিচে থাকলেও পচে না। এ ধরনের ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের মাথা ব্যাথার কারণ। বর্তমানে প্রচারের জন্য ব্যবহৃত ছাপানো কাগজকে কুয়াশা ও বৃষ্টির পানি থেকে অক্ষত রাখতে প্লাস্টিকে মুড়িয়ে লেমিনেশন করে তা প্রদর্শনের হিড়িক দেখা যাচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা গেছে। প্রয়োজন ফুরালে এ সব প্লাস্টিকের শেষ ঠিকানা ঢাকার ড্রেন ও নালা-নর্দমা।”

এতে একদিকে বাড়বে জলাবদ্ধতা, অন্যদিকে তা পরিবেশের ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ হবে বলেও মনে করেন তিনি।

ফেরদৌসের এই নোটিশের জবাব দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

এ ধরনের একটি প্রস্তাব আনায় ফেরদৌসকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ৩০ হাজার মেট্রিকটন কঠিন বর্জ্য উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ঢাকা শহরে হয় প্রায় ৭ হাজার মেট্রিকটন। এর মধ্যে ১০ শতাংশ সিঙ্গেল ইউজড প্লাস্টিক। আমরা আগামী দুই বছরে এ হার ৯০ শতাংশ কমাতে চাই। পর্যায়ক্রমে আমরা এর উৎপাদন ও বিতরণ বন্ধ করতে চাই।

“এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছি। তবে এ ক্ষেত্রে আমাদর সকলের দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন দরকার। বিকল্প থাকা সত্ত্বেও আমরা সহজলভ্য হওয়ায় সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক গ্রহণ করছি।”

মন্ত্রী সংসদে ওয়ান টাইম প্লাস্টিক পণ্য বন্ধের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, “এটি বাস্তবায়ন করা গেলে তা দেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।”

ওয়ান টাইম প্লাস্টিক বন্ধের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে আছে জানিয়ে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, “আমরা ১০০দিনের যে কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা করেছি- সেখানেও দূষণের বিষয়টি নিয়ে এসেছি। আমরা এসব পণ্য তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্তদের ওপর দায় দিতে চাই। এজন্য বিধি তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছি।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist