Beta
শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

ফ্লোর প্রাইস উঠল আরও ২৩ শেয়ারের

ঢাকার একটি ব্রোকারেজ হাউসে পুঁজিবাজারের লেনদন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ছবি : সকাল সন্ধ্যা

পুঁজিবাজারে আরও ২৩টি কোম্পানির ওপর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ফ্লোর প্রাইস বা সর্বনিম্ন মূল্যস্তর, যা বহাল থাকছে ১২টির ওপর।

সোমবার পুঁজিবাজারের লেনদেন শেষে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে এ বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) ৩৫টি কোম্পানি বাদে বাকি সব কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয় বিএসইসি।

ওই ৩৫টি কোম্পানির মধ্য থেকে সোমবার আরও ২৩টির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলো। সেগুলো হলো—বারাকা পাওয়ার, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্‌ল, বিএসআরএম স্টিল, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডিবিএইচ, ডরিন পাওয়ার, এনভয় টেক্সটাইল, এইচআর টেক্সটাইল, আইডিএলসি, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, কেডিএস এক্সেসরিজ, কাট্টলি টেক্সটাইল, মালেক স্পিনিং, ন্যাশনাল হাউজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল পলিমার, পদ্মা অয়েল, সায়হাম কটন, শাশা ডেনিমস, সোনালী পেপার, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স, শাইনপুকুর সিরামিকস, সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার।

সর্বনিম্ন মূল্যস্তর আরোপ থাকা ১২টি কোম্পানি হলো- আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি (বিএটিবিসি), বেক্সিমকো লিমিটেড, বিএসআরএম লিমিটেড, গ্রামীণফোন, ইসলামী ব্যাংক, খুলনা পাওয়ার, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, ওরিয়ন ফার্মা, রেনেটা, রবি ও শাহজিবাজার পাওয়ার।

পুঁজিবাজারে পতন ঠেকাতে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই সব শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ওপর ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়েছিল। ফ্লোর প্রাইস ছিল এমন একটা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থা তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সর্বনিম্ন দাম বেঁধে দিয়েছিল। এর ফলে কোনও শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বেঁধে দেওয়া দামের নিচে নামার সুযোগ ছিল না।

রবিবার থেকে প্রথম দফায় বেশির ভাগ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ফ্লোর প্রাইস উঠে যায়। তাতে ওইদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৯৬ পয়েন্ট পড়ে যায়। আর সোমবার সূচকটি বাড়ে ১৪ পয়েন্টের বেশি; লেনদেন ছাড়ায় হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist