Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরা দল

উগান্ডার ক্রিকেটার থাকলেও বাংলাদেশের কেউ নেই

আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে উগান্ডার আলপেশ রামজানি। ছবি: টুইটার
আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে উগান্ডার আলপেশ রামজানি। ছবি: টুইটার
Picture of ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে ভারতের দাপট। আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, এমনকি উগান্ডার ক্রিকেটারও! তবে ১১ জনের দলে নেই বাংলাদেশের কোনও খেলোয়াড়।

ক্রিকেটে ২০২৩ সালের কথা বললে সবার আগে আসবে বিশ্বকাপ। এই বছরেই ভারতের মাটিতে বসেছিল ৫০ ওভারের বিশ্ব আসর। তবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের বছরে টি-টোয়েন্টি খেলা হয়েছে অনেক। এমনকি কোনও কোনও দল কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলেই গিয়েছিল ভারতে! ফলে টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরা একাদশ গড়ার কাজটা সহজ ছিল না আইসিসির। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সেই দলটাই ঘোষণা করেছে আজ (সোমবার)।

বর্ষসেরা দলে আছেন চার ভারতীয়- যশস্বী জয়সওয়াল, সূর্যকুমার যাদব, রবি বিষ্ণুই ও আর্শদীপ সিং। শুধু একাদশে থাকা নয়, এই দলটির অধিনায়কও সূর্যকুমার।

ওপেনার জয়সওয়ালের সঙ্গী ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট। তিন নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিকোলাস পুরানের কাঁধে উইকেটকিপারের দায়িত্ব। ব্যাটিং অর্ডারের চারে সূর্যকুমার। পাঁচে নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার মার্ক চ্যাপম্যান। ছয় ও সাতে যথাক্রমে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ও উগান্ডার আলপেশ রামজানি। পরের জায়গাগুলোতে রয়েছেন আয়ারল্যান্ডের মার্ক অ্যাডায়ার, ভারতের রবি বিষ্ণুই, জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভা ও ভারতের আর্শদীপ সিং।

অর্থাৎ, তুলনামূলক কম শক্তির জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও উগান্ডার খেলোয়াড় থাকলেও টি-টোয়েন্টির বর্ষসেরা দলে বাংলাদেশের কেউ জায়গা পাননি। এই ফরম্যাটে ২০২৩ সালে বাংলাদেশের কম ম্যাচ খেলা এটার একটা কারণ হতে পারে। বিপরীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের কারণে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে জিম্বাবুয়ে ও উগান্ডার মতো দলগুলো।

বাংলাদেশ যে একেবারেই কম টি-টোয়েন্টি খেলেছে, ব্যাপারটা তেমন নয়। ২০২৩ সালে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা খেলেছে ১১ টি-টোয়েন্টি। কিন্তু কোনোটিতেই বলার মতো পারফরম্যান্স নেই কারও। ব্যাটিংয়ের কথাই ধরা যাক, গত বছর কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৭। আর এই ব্যাটারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান। বোলিংয়েও নেই বলার মতো কোনও পারফরম্যান্স।

উগান্ডার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রামজানির। ছবি: টুইটার

অথচ এই সময়ে ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস লেখা উগান্ডার রামজানি নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। আফ্রিকার দেশটি জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে প্রথমবার নিশ্চিত করেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তাদের এই স্বপ্নযাত্রায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার রামজানি। স্লো অর্থডক্স বোলিংয়ে যেমন আলো ছড়িয়েছেন, তেমনি ব্যাট হাতে গড়ে দিয়েছেন পার্থক্য।

২০২৩ সালে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলার এই রামজানি। ৩০ ম্যাচে তার ৫৫ উইকেট। অন্যদিকে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিংয়ে ১৩২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৪৪৯ রান। যার মধ্যে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৬ বলে ৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তার এই ইনিংসেই জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপের পথ সুগম হয় উগান্ডার।

আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দল: যশস্বী জয়সওয়াল, ফিল সল্ট, নিকোলাস পুরান (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), মার্ক চ্যাপম্যান, সিকান্দার রাজা, আলপেশ রামজানি, মার্ক অ্যাডায়ার, রবি বিষ্ণুই, রিচার্ড এনগারাভা, আর্শদীপ সিং।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত