Beta
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪
Beta
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪

ট্রফি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ভারতীয় কোচের

৭৬৮
Picture of ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ম্যাচ কমিশনারের ভুলেই হল মহাগ্যাঞ্জামের ফাইনাল। সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলে টাইব্রেকারে ১১-১১ সমতার পর নিয়ম অনুযায়ী ফল না হওয়া পর্যন্ত সাডেন ডেথ হওয়ার কথা।

রেফারি তৈরি ছিলেন। বাংলাদেশের অধিনায়কও যান ১২তম শট নিতে। কিন্তু শ্রীলঙ্কান ম্যাচ কমিশনার ডি সিলভা জয়াসুরিয়া দিলান ঘোষণা দেন টসের। সেই টসে ভারত জিতে শুরু করে দেয় শিরোপার উল্লাস।

এরপর বাংলাদেশের প্রতিবাদে ম্যাচ কমিশনার মেনে নেন নিজের ভুল। ঘটতে থাকে নানা নাটকীয় ঘটনা। ভারতকে প্রস্তাব দেওয়া হয় সাডেন ডেথে আবারও অংশ নেওয়ার। সেটা না মানলে নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয় যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। ভারতীয় দল সেটাও মানেনি। ম্যাচ বাতিল করে নতুনভাবে শুরুর প্রস্তাবও মানেনি ভারত।

বাংলাদেশের ফুটবল কর্তারা যোগাযোগ করেন অল ইন্ডিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যান চৌবের সঙ্গে। কথা বলা হয় ভারতীয় দূতাবাসের কর্তাদের সঙ্গেও। এরপর ভারত মেনে নেয় যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা।

ভারতীয় একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কর্তাদের কারণে যুগ্ম চ্যাম্পিয়নের সিদ্ধান্ত মানার কথা বললেন ভারতীয় কোচ শুক্লা দত্ত, ‘‘আমাদের আবারও সাডেন ডেথে অংশ নিতে বলা হয়েছিল। ততক্ষণে খেলোয়াড়রা একদফা উল্লাস করে ফেলেছে, ওদের ফোকাস নড়ে গিয়েছিল। এরপর আমাদের এক কর্তা বারবার বলছিলেন বিদেশের মাটিতে মেয়েদের নিরাপত্তার কথা ভেবে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে।’’

কর্তাদের কারণে মানতে বাধ্য হলেও শুক্লা দত্ত করলেন ট্রফি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ, ‘‘যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার কোন কারণই নেই আমাদের। ম্যাচ কমিশনার যখন বললেন ট্রফি টসে নির্ধারিত হবে, তখন তো বাংলাদেশের কেউ আপত্তি করেননি। কিন্তু টস হারার পর ওদের রং বদলে গেল। বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলে আয়োজকরা কি আমাদের কোন কথা শুনত? টস হারলে আমরা কোন প্রতিবাদও জানাতাম না। ট্রফি নেওয়ার সময় উপস্থিত থাকার কোন ইচ্ছে আমার ছিল না। শুধু মেয়েদের কথা ভেবে গিয়েছিলাম। এটুকুই বলব, আমাদের প্রাপ্য ট্রফিটা কেড়ে নেওয়া হল।’’

টস শেষে ভারতীয় খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাহীনতার কথাও জানালেন শুক্লা দত্ত,‘‘টস শেষে আমাদের খেলোয়াড়দের ওপর বোতল আর ইট ছোঁড়া হয়েছিল। এজন্য মাঠে বেশিক্ষণ উদযাপন না করে ড্রেসিংরুমে ফিরে যাই। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের হাইকমিশনের কর্তারা দেখা করেন দলের সঙ্গে। তারা মেয়েদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আমাদের যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়।’’

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত