Beta
মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
Beta
মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মূল্যস্ফীতি কমলেও ৯ এর ঘরে

বাজার
আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল রাখতে চায় সরকার। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
Picture of প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে উদ্বেগজনক সূচক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসভিত্তিক) চলতি বছরের দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারিতে দেশে ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। জানুয়ারিতে যা ছিল ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এর অর্থ হলো, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পাওয়া যেত, তা এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে পেতে ১০৯ টাকা ৬৭ পয়সা ব্যয় করতে হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বুধবার রাতে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এই তথ্য প্রকাশ করে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এতে দেখা যাচ্ছে, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বিবিএসের তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারিতে শহরের পাশাপাশি গ্রামেও মূল্যস্ফীতি কমেছে। এই মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ; শহরে ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

জানুয়ারিতে শহরে মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গ্রামে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। দেশে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশের মতো বৃদ্ধি করার কারণে আগস্টে তা এক লাফে বেড়ে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে উঠে যায়। সেপ্টেম্বরে তা কমে ৯ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে আসে।

অক্টোবরে তা আরও কমে ৯ শতাংশের নিচে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশে নেমে আসে। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয় ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। ডিসেম্বরে তা কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসে।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তা আরও কমে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশে নেমে আসে। ফেব্রুয়ারি মাসে তা বেড়ে হয় ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ৯ অংকের ঘর ছাড়িয়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে ওঠে।

এর পর থেকে ৯ শতাংশের উপরেই অবস্থান করছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত