Beta
শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪
Beta
শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪

ডায়ালাইসিস নিয়ে বড় যুদ্ধে কিডনি রোগীরা

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি
Picture of জাকিয়া আহমেদ

জাকিয়া আহমেদ

ছয় বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার রওশন আরা বেগম। ওষুধে উন্নতি হচ্ছে না দেখে চিকিৎসক বলেন, ডায়ালাইসিস করতে হবে। কিন্তু ভেদরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল, এমনকি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালেও ডায়ালাইসিসের কোনও ব্যবস্থা নেই।

বাধ্য হয়েই রওশন আরাকে ধরতে হয় ঢাকার পথ। শুরু হয় সপ্তাহে দুবার ঢাকায় এসে ডায়াইলাইসিস করানো। অসুস্থ এই রোগীর পক্ষে তা বেশ কষ্টের বটে। প্রায়ই অনেক সময় নানান জটিলতা বাধ সাধে।

এমন পরিস্থিতিতে বাড়ি ফেলে ঢাকায় বাসা ভাড়া নেন রওশন আরা। তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “শুধু তো আর আমি না, ডায়ালাইসিস করাতে গেলে কত মানুষের সঙ্গে দেখা হয়! আমার মতো অনেকের পুকুর ভরা মাছ, গোলা ভরা ধান; অথচ ঢাকায় এসে ছোট ছোট দুই-তিন রুমের খুপড়ি ঘরে ভাড়া থাকছেন।”

তারপরও বিপদ পিছু ছাড়েনি এই নারীর। জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে ডায়ালাইসিসের জন্য আবেদন করেছেন প্রায় চার বছর আগে। কিন্তু সিরিয়াল পাননি। বাধ্য হয়ে অনেক বেশি খরচে একটি বেসরকারি হাসপাতালে সপ্তাহে দুই বার ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে তাকে।

রওশন আরার মতো অভিজ্ঞতা আরও অনেকের, যাদের ডায়ালাইসিস নিয়ে এক রকম যুদ্ধে নামতে হচ্ছে।

দেশে কিডনি রোগী কত

চিকিৎসকরা বলছেন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ভেজাল খাবার, ফসল ফলানোর সময় কীটনাশক ব্যবহার, প্রাণীদেহে সীসা, পারদ, ক্রোমিয়ামসহ অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণ, খাদ্যাভ্যাস, বিভিন্ন দূষণ, ধূমপান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার ও পেইন কিলারের কারণে কিডনি রোগীর সংখ্যা দেশে বেড়েই চলেছে।

কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাবরুল আলম সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, বর্তমান সময়ে কিডনি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ার কারণ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ।

দেশে বর্তমানে কিডনি রোগীর সংখ্যা কত- জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন দুই বছর আগের এক গবেষণার তথ্য দিয়ে জানান, দেশে কোনও না কোনও কিডনি রোগে ভুগছে এমন মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৮০ লাখ। এর মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষের কিডনি বিকল।

জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটের (নিকডু) তথ্য বলছে, ২০২১ সালে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে কিডনি জটিলতা নিয়ে ভর্তি হয়েছিল প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার রোগী, যা পরের বছর ৩৩ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

২০২১ সালে কিডনি সংক্রান্ত জটিলতায় প্রাণ হারিয়েছিল ৫৪১ জন, পরের বছরে মৃত্যু দ্বিগুণ বেড়ে হয় ১ হাজার ২৭। তবে এসবই শুধু সরকারি হাসপাতালের তথ্য। বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা এই তালিকায় নেই।

ডায়ালাইসিস কখন প্রয়োজন

মানুষের শরীরে কিডনি বা বৃক্ক ফিল্টারের মতো কাজ করে। শরীর থেকে দূষিত ও ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। যখন কিডনি এ কাজ করতে পারে না, তখনই দেখা দেয় জটিলতা।

চিকিৎসকরা বলছেন, যখন ওষুধেও উন্নতি করা যায় না, তখন হয় ডায়ালাইসিস করতে হয়, নয়ত কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়।

ডায়ালাইসিস দুই ধরনের- হিমোডায়ালাইসিস ও পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস। হিমোডায়ালাইসিসে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার হাসপাতালে গিয়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা থেকে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি, বর্জ্য পদার্থ যন্ত্রের মাধ্যমে নিষ্কাশন করা হয়।

অন্যদিকে পেরিটোনিয়াল ডায়ালাইসিস করা যায় বাড়িতে বসে। পেটের ভেতর ক্যাথেটার স্থাপন করে ডায়ালাইসিস ফ্লুইড দেওয়া হয়। কিন্তু এই ফ্লুইড বাংলাদেশে তৈরি হয় না বলে খরচ বেশি পড়ে। তাছাড়া বাড়িতে করা হয় বলে শঙ্কা থেকে যায় সংক্রমণের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাদের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রয়েছে, এমন তিনজনের একজন মানুষ জানেন না, তিনি কিডনি রোগে ভুগছেন। কিন্তু যখন জানতে পারেন, তখন আর করার কিছু থাকে না।

কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন-উর-রশিদ ৪০ বছরের বেশি বয়সী মানুষদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “কারণ, শুরুর দিকে কিডনি রোগের কোনও উপসর্গ থাকে না। ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর উপসর্গ দেখা দেয়।”

৫ লাখে এক চিকিৎসক, ডায়ালাইসিস সেন্টার মোটে ১৭০

সারাদেশে কিডনি রোগীদের তুলনায় ডায়ালাইসিস ব্যবস্থা বেশ কম। জেলা পর্যায়ে কিডনি রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আর ডায়ালাইসিস সেন্টার নেই দেশের সব মেডিকেল কলেজেও। তাছাড়া লোকবল সংকট, মেশিন নষ্ট থাকায় ডায়ালাইসিস বন্ধ থাকার ঘটনাও কম নয়।

দেশে মোট ডায়ালাইসিস সেন্টার আছে ১৭০টি। এর সবগুলোই ঢাকা কিংবা এর আশেপাশে।

ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মুহিবুর রহমান সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “দেশে কিডনি রোগীর মাত্র ৪০ শতাংশ চিকিৎসার আওতায় আসে। অর্থাৎ তারা অন্তত চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন, চিকিৎসা নিতে পারেন। বাকিরা এটাও পারেন না। আর ডায়ালাইসিস পাচ্ছেন ২০ শতাংশের মতো।”

ডায়ালাইসিস ইউনিটের যেমন সংকট রয়েছে, তেমনি সংকট চিকিৎসকেরও। অধ্যাপক মুহিবুর বলেন, “আমাদের রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞসহ মাত্র ৩০৪ জন। মোট জনসংখ্যার হিসাবে ৫ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের জন্য রয়েছেন মাত্র একজন নেফ্রোলজিস্ট।”

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের জন্য গিয়েছিলেন মোতাহার হোসেন। ছয় মাস ধরে চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ এই ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, রোগীর ভিড়ের কারণে ডায়ালাইসিস করাতে পারেননি তিনি।

রোগীর ভিড় বেশি কেন- প্রশ্নে হাসপাতালটির পরিচালক ডা. শীতল চৌধুরী সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, হাসপাতালে মেশিন রয়েছে ১৯টি। কিন্তু এর মধ্যে ১১টিই বিকল বছরের পর বছর। সে কারণে সব রোগীকে সময়মতো ডায়ালাইসিস দেওয়া সম্ভবপর হচ্ছে না।

হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “রোগীদের ভোগান্তি কাকে বলে, সেটা দেখতে হলে আপনাকে এখানে আসতে হবে, নিজে না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না।”

ডা. শীতল চৌধুরী বলেন, “মেশিন নষ্টের কথা কয়েকবার জানানো হয়েছে, কিন্তু সে পর্যন্তই। এতে রোগীদের ভোগান্তি হচ্ছে, দুর্ভোগটা বড় বেশি চোখে লাগে।”

দক্ষিণাঞ্চলের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে দিনে তিন শিফটে ৬০ জন রোগীর ডায়ালাইসিস করা যায়। কিন্তু সেখানেও সংকট।

ওই হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, নোয়াখালীতে আশপাশের জেলা থেকেও রোগীরা আসে। কিন্তু জনবল সংকটের কারণে তারা সেবা দিতে পারছেন না।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হেলাল উদ্দিন সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, “সব সরকারি হাসপাতালেই সমস্যা রয়েছে, এটা কন্টিনিউয়াস, থাকবেই।”

জনবল সংকটের কারণে ডায়ালাইসিস সেবা ব্যাহত হচ্ছে কি না- প্রশ্নে তিনি বলেন, “মেশিন নষ্ট রয়েছে, লোকবল সংকট রয়েছে। ডায়ালাইসিসের রিএজেন্টের সংকট তো মাঝেমাঝেই হচ্ছে।

“আসলে ২০ শয্যার একটি ইউনিটের জন্য সরকারি যে পরিমাণ সাপ্লাই আসার কথা, সেটা আসছে না।”

একই অবস্থা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও। সেখানে ডায়ালাইসি যন্ত্র থাকলেও খরচ দিতে হচ্ছে রোগীকে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ইউনুছ আলী সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, এই হাসপাতালে ডায়ালাইসিস মেশিন রয়েছে ২৬টি, এর মধ্যে ৫টি বিকল।

জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট।

খরচ কুলিয়ে ওঠা মুশকিল

২০০০ সাল থেকে কিডনি রোগে ভুগছেন সবুজ মিয়া। কেমন আছেন- জিজ্ঞেস করতেই তার প্রথম কথা ছিল, “আমার মতো মানুষের দুনিয়া থেকে চলে গেলে নিজের জন্যও ভালো, পরিবারের জন্যও ভালো।”

তিন বছর ডায়ালাইসিস করানোর পর দুই বছর চার মাস আগে কিডনি প্রতিস্থাপন করান সবুজ। কিন্তু এরপরেও ওষুধের টাকা সংস্থানে হিমশিম খেতে হচ্ছে তার পরিবারকে।

চিকিৎসক-রোগী উভয়ই জানান, বর্তমানে ওষুধের দাম বেড়েছে। ডায়ালাইসিসের খরচও বেড়েছে পাল্লা দিয়ে। ডায়ালাইসিসের বেড ভাড়া, চিকিৎসকের ফি, যাতায়াত, বিভিন্ন পরীক্ষা, ইনজেকশন-সব মিলিয়ে খরচ বাড়তি টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

আবার ডায়ালাইসিসের সময় অনেক রোগীরই অক্সিজেন অথবা আইসিইউ দরকার হয়, সেটাও অনেক বড় খরচের বিষয়।

সব মিলিয়ে এই ডায়ালাইসিস রোগীদের খরচ মাসে লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়, যা বেশিরভাগ রোগীর পক্ষেই বহন করা কষ্টের।

বেসরকারি ডায়ালাইসিস সেন্টারে রোগীদের প্রতিবারে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা ব্যয় হয়। এ কারণে ৫১০ টাকা ব্যয়ে ডায়ালাইসিসের জন্য জাতীয় কিডনি রোগ ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউটে ভিড় বেশি। ফলে সেখানে সিরিয়াল পেতে হয় সমস্যা।

কিডনি ফাউন্ডেশন বলছে, খরচের কারণে শতকরা ৮০ শতাংশ রোগী ডায়ালাইসিস নিতে পারেন না।

বাংলাদেশে রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহিবুর বলেন, “ডায়ালাইসিস ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে রোগীদের ব্যয় আকাশ ছোঁয়া। ডায়ালাইসিস এমনই যে একবার বা দুইবার করাটা সমাধান না, রোগী যতদিন বেঁচে আছেন, তাকে ডায়ালাইসিস চালিয়ে যেতে হবে।”

নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এই চিকিৎসক বলেন, খরচের কারণে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রোগী মাঝপথে ডায়ালাইসিস ছেড়ে দেয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মারজোয়া হুমায়রার অভিজ্ঞতাও একই।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, যতজন ডায়ালাইসিস শুরু করেন, তার ৫০ শতাংশের মতো তা চালিয়ে নিতে পারেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, দেশে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কিডনি রোগীর মৃত্যু হচ্ছে ডায়ালাইসিসের অভাবে।

ডায়ালাইসিসের পেছনে কত খরচ হচ্ছে, ২০১৮ সালের এক গবেষণার বরাতে তার বিবরণ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ।

তিনি সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, বেসরকারি হাসপাতালে একজন কিডনি রোগীকে ডায়ালাইসিস করাতে তখন খরচ হত প্রায় ৫ লাখ টাকা, এই খরচ এখন কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, খুব সহজেই অনুমান করা যায়।

কিডনি রোগীদের খরচের এই ধকল কাটাতে স্বাস্থ্য বীমা চালুর সুপািরশ করছেন চিকিৎসকরা।

ডা. হাবিবুর বলেন, “আমাদের পাশের দেশগুলোতেও শুরু হয়েছে। আর আমাদের যে রোগীর চাপ, রোগীর অবস্থা থাকে, তাতে এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য বীমা চালু করা সময়ের দাবি। আমি মনে করি, উই শুড স্টার্ট। নয়ত রোগীগুলো মরে যাবে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদেরও সুপারিশ স্বাস্থ্য বীমা চালুর।

তিনি বলেন, “ঢাকার হাসপাতালগুলোতে এত রোগীর জট, সবার জন্য সেটা সহজলভ্য নয়। তাই রোগীকে বাধ্য হয়ে বেসরকারিতে ছুটতে হয়। কিন্তু দিনশেষে আসলে খরচটা এত বেশি হয় যে, সেটা অবর্ণনীয় এক দুর্ভোগ এবং দুর্যোগে পরিণত হয়।”

ডা. মারজোয়া হুমায়রা মেখলাও বলেন, “একটা বিকল্প অবশ্যই থাকা উচিৎ। সেটা সরকারি হতে পারে, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে হতে পারে। কিন্তু কিছু একটা করা উচিৎ।”

নিজের চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারকেও নিঃস্ব করে ফেলা সবুজ বলেন, “ধারদেনাও আর করার মতো কেউ নেই, সবার কাছ থেকে নেওয়া শেষ। এখন যদি সরকার আগায়ে আসে, তাহলে হয়ত কিছুটা খরচ চালায়ে নিতে পারব।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত