Beta
রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪

জিয়াউর রহমানের বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে : ফখরুল

রবিবার রাজধানীর লেডিসক্লাবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার রাজধানীর লেডিসক্লাবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ইফতারে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে ও তার বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার রাজধানীর লেডিসক্লাবে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ইফতারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শনিবার দিবাগত রাত ৩টায় আবারও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সে প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তার জন্য দোয়া করবেন তিনি যেন সুস্থ হয়ে ওঠেন। একইসঙ্গে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া চাইছি।”

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ তোলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, “আজকে জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলতে ষড়যন্ত্র চলছে। শুধু তাই নয়, জিয়াউর রহমানের বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এটার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে তা প্রচার করতে হবে। তার সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত পুস্তক নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।  

“আজকে দেশে উন্নয়নের গান গায় সরকার। এই উন্নয়ন তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। তিনি তো স্বল্প সময়ে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।”

অনুষ্ঠানে জেডআরএফের প্রেসিডেন্ট ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন।

জেডআরএফের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইফতার মাহফিল উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান।

কমিটির সদস্য সচিব ব্যারিস্টার মীর হেলালের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. সদরুল আমিন, বিএফইউজের কাদের গণি চৌধুরী, ড্যাবের সভাপতি ডা. হারুন আল রশিদ।

অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। আরও তীব্রতর আন্দোলন করতে হবে, যতদিন পর্যন্ত না লক্ষ্য আদায় হয়। খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। সেবা পাওয়ার মৌলিক অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত। যিনি গণতন্ত্র রক্ষায় আজীবন লড়াই করছেন।

“আমরা ভোট বর্জন করেছি। এবার ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে হবে। আসুন ভারতের নিকৃষ্টতম পণ্য আওয়ামী লীগকে বর্জন করি।”

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “এ দেশ এখন ঘোর দুর্দিন অতিক্রম করছে। সত্যকে সত্য বলা যায় না। রাষ্ট্র যদি বলে এটা সত্য, সেটা মানতে হবে। গণতন্ত্র ধ্বংস যারা করেন তাদেরকে বলা হয় গণতন্ত্র রক্ষার প্রতীক! এই রীতি চালু করেছে শেখ হাসিনা। একটি বেপরোয়া সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতাসীন হয়ে জনগণের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে। গণতন্ত্রের নিয়ম কানুন প্রথা রীতি সব ধ্বংস করা হয়েছে।

“কেউ যাতে কথা বলতে না পারে, প্রতিবাদ না করতে পারে সে ব্যবস্থা কায়েম করেছেন শেখ হাসিনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শেষ করা হয়েছে। এই সরকারের পতন ছাড়া কেউ স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন না। আরেকবার বুক পেতে দাঁড়াতে হবে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist