Beta
সোমবার, ২০ মে, ২০২৪
Beta
সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

সুবর্ণচরে মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলার আরেক আসামি গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার মো. হারুন। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
গ্রেপ্তার মো. হারুন। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
Picture of আঞ্চলিক প্রতিবেদক, নোয়াখালী

আঞ্চলিক প্রতিবেদক, নোয়াখালী

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার দুই নম্বর আসামি মো. হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, নোয়াখালী জেলা পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। এ নিয়ে এ মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৪২ বছর বয়সী হারুন উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চরকাজী মোখলেছ গ্রামের প্রয়াত বশির আহম্মদের ছেলে। ঘটনার পর তিনি বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ান। যশোর সীমান্ত দিয়ে একবার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেন হারুন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার পর থেকে পুলিশ তার গতিবিধির ওপর নজরে রাখে।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাঁচ বছর আগে ভোটের রাতে ধর্ষণের মামলায় ১০ জনের ফাঁসির রায়ের দিন গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। পুলিশের কাছে অভিযোগ আসে উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের চরকাজী মোখলেছ গ্রামে সেদিন মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে এক নারী এবং তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়।

এ অভিযোগে ওই নারীর করা মামলার প্রধান আসামি চর ওয়াপদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য আবুল খায়ের ওরফে মুন্সী মেম্বার। তাকে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিন হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি হয়েছে। আদালত তাকে ৪ দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।

মামলার অপর আসমি ৪৮ বছর বয়সী মেহরাজ উদ্দিন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বুধবার। জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া ইসলাম ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

মেহরাজ জানিয়েছেন, মামলার অপর দুই আসামি খায়ের মুন্সি ও হারুনের প্রস্তাবে রাজি হয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেই রাতে তিনি ওই নারীর স্বামীর অনুপস্থিতে চুরি করতে সিঁধ কেটে বসতঘরে প্রবেশ করেন। এরপর দরজা খুলে দিলে মুন্সি মেম্বার ও হারুন ভেতরে যান। এক পর্যায়ে মুন্সি মেম্বার ও হারুন পালাক্রমে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় মেহরাজ পাশের কক্ষে থাকা ওই নারীর ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করেন। পরে সোনার গহনা ও টাকা নিয়ে তিনজন ঘর থেকে বেরিয়ে যান।

এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে খায়ের মুন্সি ও হারুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে আসামি করে চরজব্বার থানায় মামলা করেন।

মামলার পর মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহর থেকে আবুল খায়ের মুন্সিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতে চরক্লার্ক ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মেহরাজকে। মেহরাজ একই এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত