Beta
সোমবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪

ম্যানসিটি- আর্সেনালের ‘ক্লাসিক’ হল না, শীর্ষে লিভারপুল

গোলশূন্য ড্রতে শেষ হয়েছে ম্যানসিটি-আর্সেনালের ম্যাচ। ছবি : এক্স
গোলশূন্য ড্রতে শেষ হয়েছে ম্যানসিটি-আর্সেনালের ম্যাচ। ছবি : এক্স

ম্যানচেস্টার সিটি  ০ : ০ আর্সেনাল

ম্যাচটা ছিল গুরু পেপ গার্দিওলা ও শিষ্য মিকেল আরতেতার। ছিল শিরোপার গতিপথ নির্ধারণীও। ম্যানচেস্টার সিটি- আর্সেনালের সেই ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য ড্রতে। তাতে লাভ লিভারপুলের। ব্রাইটনকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

২৯ ম্যাচ শেষে লিভারপুলের পয়েন্ট ৬৭। সমান ম্যাচে আর্সেনালের পয়েন্ট ৬৫ আর ম্যানসিটির ৬৪। চারে থাকা অ্যাস্টন ভিলার পয়েন্ট ৩০ ম্যাচে ৫৯। প্রিমিয়ার লিগটা তাই এখন তিন দলের লড়াই, যেখানে শীর্ষে থাকা লিভারপুলের চেয়ে মাত্র ৩ পয়েন্টে পিছিয়ে ম্যানসিটি আর ২ পয়েন্টে আর্সেনাল।

পেপ গার্দিওলা এই ম্যাচটা দেখেছিলেন ফাইনাল হিসেবে। সেই ফাইনালে ম্যানসিটির বলের দখল ছিল ৭২ শতাংশের বেশি। তারা পোস্টে শট নিয়েছিল ১২টি। কিন্তু লক্ষ্যে ছিল কেবল ১টি। সেখানে পোস্টে কেবল ৬ শট নিলেও লক্ষ্যে রেখেছিল ২টি।

আর্সেনাল খেলেছে রক্ষণে ‘বাস পার্ক’ করিয়ে রাখার কৌশলে। এর জবাব দিতে পারেননি হলান্ড-ডি ব্রুইনারা। তাই ম্যাচটা আর ‘ক্লাসিক’ উচ্চতায় পৌঁছায়নি। অথচ উত্তেজনার ম্যাচটার আগে ইতিহাদ নিয়ে কম রচনা লেখা হয়নি। সেই ম্যাচে আর্সেনাল ফাউল করেছে ২০টি,ম্যানসিটি কেবল ৯টি। প্রথম আধা ঘণ্টায় ফাউলের জন্য আটবার বাঁশি বাজান রেফারি, এর ছয়টি মিকেল আরতেততার দলের বিপক্ষে।

দুই দলই খেলেছে চার স্পেশালিস্ট সেন্টারব্যাক ও দুই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে। প্রথম সুযোগটা পেয়েছিল আর্সেনালই। বেন হোয়াাইটের সেন্টার বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পোস্টের কাছ থেকে বাইরে মারেন ব্রাজিলিয়ান গ্যাব্রিয়েল জেসুস।

চোটের জন্য এমনিতেই কাইল ওয়াকার ও জন স্টোনসকে পায়নি ম্যানসিটি। মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মত বিরতির আগে মাঠ ছাড়েন নাথান আকে। কাছ থেকে তার একটা হেড সেভ করেছিলেন আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।

২৭তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন ডাচ তারকা নাথান আকে। ছবি : এক্স

জয়ের জন্য দুই দলই ছিল মরিয়া। রেফারিও ম্যাচের ছন্দ নষ্ট না করতে অহেতুক কার্ড দেখাননি। ম্যাচে রেফারি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন কেবল দুটি। এর একটি আবার গানার গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার সময় নষ্টের জন্য।

তারপরও গোলের তালাটা খুলতে পারেনি কোনও দল। বিরতির পর বুয়াকো শাকার পাসে অল্পের জন্য পা ছোঁয়াতে না পারলে অবশ্য গোল পেতেই পারতেন জেসুস। ৮৩তম মিনিটে কর্নারে সতীর্থের মাথা ছুঁয়ে আসা বল ফাঁকায় পেলেও শট নিতে পারেননি আর্লিং হলান্ড।

গোলরক্ষকের প্রথম আসল সেভটা ছিল ৮৫ মিনিটে, যখন আর্সেনালের লিয়ান্দ্রো তোসার শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান স্তেফান ওরতেগা। এছাড়া হলান্ড, ডি ব্রুইনারা চেষ্টা করেও ভাঙতে পারেননি গানারদের প্রতিরোধ।

লিভারপুল ২ : ১ ব্রাইটন

সর্বশেষ তিনটি অ্যানফিল্ড সফর থেকে অন্তত ১ পয়েন্ট নিয়ে ফিরেছিল ব্রাইটন। আজও তারা এগিয়ে যায় শুরুতে। দ্বিতীয় মিনিটেই ব্রাইটনকে এগিয়ে দেন ড্যানি ওয়েলবেক। সিমন  আদিংরায়ের বাঁ প্রান্ত দিয়ে বাড়ানো বল লিভারপুলের বক্সে বিপদমুক্ত করতে পারেননি ভার্জিল ফন ডাইক। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে অ্যানফিল্ডের গ্যালারি স্তব্ধ করে দেন ওয়েলবেক।

মো সালাহর গোলে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে এখন লিভারপুল। ছবি : এক্স

তবে এবার আর পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে পারেনি ব্রাইটন। ২-১ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ২৭ মিনিটে সমতা ফেরান লুইস দিয়াজ। কর্নার থেকে মো সালাহর হেড ব্রাইটনের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে পান এই  কলম্বিয়ান। তার ভলিতে সমতা ফেরে ম্যাচে।

৬৫ মিনিটে মো সালাহর গোলে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অলরেডরা। গোলের অ্যাসিস্টটি ছিল ব্রাইটন থেকেই লিভারপুলে যোগ দেওয়া বিশ্বকাপজয়ী অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের।

বক্সে ডান পায়ে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যদে করেন তিনি। এই মৌসুমে লিগে ২৩ ম্যাচে্সেএটা সালাহর ১৬তম গোল। সবচেয়ে বেশি ১৮ গোল হলান্ডের।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist