Beta
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪
Beta
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪

জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি : পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশ

রপ্তানি আদেশের কাজ গোছাতে কর্মব্যস্ত পোশাক শ্রমিকরা।
রপ্তানি আদেশের কাজ গোছাতে কর্মব্যস্ত পোশাক শ্রমিকরা।
Picture of প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ থেকে সব মিলিয়ে ৯৪৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি।

সাময়িক সমস্যা কাটিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। শুক্রবার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ কথা জানান।

দীর্ঘ সময় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে গেছে দেশের তৈরি পোশাক। সর্বশেষ ছয় মাসের বেশ চ্যালেঞ্জিং সময় কাটিয়েছে এই খাত। সব পেরিয়ে এখন আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি।

লিখিত বার্তায় ফারুক হাসান বলেন, “চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ থেকে সব মিলিয়ে ৯৪৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ বেশি। এর আগের ছয় মাস তৈরি পোশাকের রপ্তানি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ খাতের রপ্তানি পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছে।”

চিঠিতে ফারুক হাসান বলেন, “২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ে রপ্তানি মূল্যের দিক থেকে মোট পোশাক রপ্তানির ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। একই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে মোট রপ্তানি মূল্যের ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ রপ্তানি হয়েছে। আমাদের পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারগুলোর শেয়ার বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ।”

ইউরোপীয় ইউনিয়ন(ইইউ) বাংলাদেশের বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানি গন্তব্য। সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে ইইউ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ইইউতে ২০২৩ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পোশাক রপ্তানি ৪২২ কোটি ডলার থেকে ১৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে এবার ৪৮৮ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।”

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান বাজার জার্মানিতে পতন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জার্মানি, গত কয়েক মাস ধরে ক্রমাগত পতন দেখাচ্ছে। তা ছাড়া ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালিতে রপ্তানি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে।”

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে আরেকটি বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৩ সালে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ক্রমাগত হ্রাসের পর, ২০২৪ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ রপ্তানি ২০২৩ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির ১৩৩ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ২০২৪ সালের একই সময়ে ১৪৪ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

একই সময়ে কানাডায় রপ্তানি ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যুক্তরাজ্যে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ।

রপ্তানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে খুশি হয়ে ফারুক হাসান বলেন, “আমরা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি যে, প্রিমিয়াম পণ্যসহ বিভিন্ন আইটেমের প্রয়োজন মেটাতে নিজেকে প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ। দেশ আরও এমন সক্ষমতা অর্জন করেছে, যা সমাজ ও পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব রাখে।”

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত