Beta
রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

জানুয়ারির ১৯ দিনে ১৩৬ কোটি ডলার রেমিটেন্স

মার্কিন ডলার।

জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১৩৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১১০ টাকা) অনুযায়ী টাকার অঙ্কে এই রেমিটেন্সের পরিমাণ হবে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, মাসের বাকি ১২ দিনে এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেমিটেন্সের অঙ্ক ২০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর আগের মাস ডিসেম্বরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা প্রায় ২০০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠান। ওই অঙ্ক ছিল বিগত ছয় মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

আগের দুই মাস অক্টোবর ও নভেম্বরেও বেশ ভালো রেমিটেন্স এসেছিল দেশে। অক্টোবরে এসেছিল ১৯৭ কোটি ৭৫ লাখ (১.৯৮ বিলিয়ন) ডলার; নভেম্বরে ১৯৩ কোটি (১.৯৩ বিলিয়ন) ডলার।

দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রবাহে নতুন বছরে শুরুতে বেশ ইতিবাচকতা দেখা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী ২০২৩ সালে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৯০ কোটি ডলার। ২০২২ সালে এসেছিল ২ হাজার ১৩০ কোটি ডলার।  সেই হিসাবে ২০২৩ সালে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।

এর আগে ২০২১ সালে ২ হাজার ২০৭ কোটি ডলার, ২০২০ সালে ২ হাজার ১৭৩ কোটি ডলার ও ২০১৯ সালে ১ হাজার ৮৩৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল।

ব্যাংকগুলোর আড়াই শতাংশ বাড়তি প্রণোদনায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। এছাড়া অনেক ব্যাংক বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামে রেমিটেন্স সংগ্রহ করায় প্রবাসী আয় বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৯ দিনে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ছয় ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১১ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ৪৩ ব্যাংকের মাধ্যমে ১২২ কোটি ৫ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং ৯টি বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪১ লাখ ৬০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist