Beta
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪
Beta
মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০২৪

অনুপ্রবেশ : অস্ত্রধারী ২২ রোহিঙ্গা ৩ দিনের রিমান্ডে

রোহিঙ্গা
অস্ত্রসহ অনুপ্রবেশের ঘটনায় গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা নাগরিকদের কক্সবাজার আদালতে হাজির করা হয়। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
Picture of আঞ্চলিক প্রতিবেদক, কক্সবাজার

আঞ্চলিক প্রতিবেদক, কক্সবাজার

মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের জেরে অস্ত্রসহ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা ২৩ রোহিঙ্গার মধ্যে ২২ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শ্রীজ্ঞান তঞ্চঙ্গ্যা শুনানি শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাছির উদ্দিন মজুমদার ২৩ আসামির প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তবে এদের মধ্যে অসুস্থতার কারণে মো. সাদেক নামের এক আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেননি বিচারক।

নাছির উদ্দিন মজুমদার জানান, বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়নের পালংখালী বিওপির নায়েব সুবেদার মো. শহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে ২৩ রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা করেছিলেন। এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। বিচারক যে ২২ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে কক্সবাজার কারাগার থেকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশের সময় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২৩ জনই মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, “এরা উখিয়ার বালুখালী ও কুতুপালংয়ের বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা। স্বাভাবিক কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছেড়ে তাদের মিয়ানমারের যাওয়ার কথা না। কিন্তু কী কারণে বা কীভাবে তারা মিয়ানমারে গেল, অস্ত্রহাতে কেন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করল; এসন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জরুরি। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এসব প্রশ্নের উত্তর বের করার চেষ্টা করা হবে।”

গত ৬ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সংঘাতের মধ্যে পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যের পাশাপাশি অস্ত্রধারী এসব রোহিঙ্গাকেও আটক করা হয়েছিল। পরে ৯ ফেব্রুয়ারি বিজিবি বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করে এদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তার রোহিঙ্গারা হলেন-উখিয়ার বালুখালী ৮ নম্বর ক্যাম্পের মো. হোসেন আহমদ (৩০), একই ক্যাম্পের মো. রফিক (২৩), আয়াতুল্লাহ (৩০), ৯ নম্বর ক্যাম্পের মো. জুনাইদ (১৯), একই ক্যাম্পের মো. হারুন (২৩), মো. কায়সার (১৯), মো. সাবের (১৯), ১০ নম্বর ক্যাম্পের ওসামা (১৯), একই ক্যাম্পের ওমর ফারুক (১৯), মো. সাদেক (১৯), হারুন অর রশিদ (২৪), ইয়াসিন আরাফাত (১৯), মো. ইসমাইল (১৯), মো. রহিম (১৯), ১১ নম্বর ক্যাম্পের নজু মোল্লা (৩৮), ১৫ নম্বর ক্যাম্পের সৈয়দ উল্লাহ (১৯), একই ক্যাম্পের হাফেজ আহমেদ (১৯), ২০ নম্বর ক্যাম্পের মো. জোবায়ের (১৯), কুতুপালং এলাকার ৬ নম্বর ক্যাম্পের আব্দুল্লাহ (২০), একই এলাকার ৩ নম্বর ক্যাম্পের এনামুল হাসান (২২), ২ ক্যাম্পের মো. রফিক (২৪), একই ক্যাম্পের সৈয়দুল ইসলাম (২৪) ও ৭ নম্বর ক্যাম্পের মো. আরমান (২১)।

তাদের সঙ্গে পাওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে এসএমজি পাঁচটি, জি-৩ রাইফেল একটি, পিস্তল দুইটি, রিভলভার চারটি। এছাড়া ১৯৮ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ৯৮ রাউন্ড এমজি গুলি, ২৭৬ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১০৩ রাউন্ড জি-৩ রাইফেলের গুলি, ১৯৩ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ইত্যাদি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত