Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

সালাম মুর্শেদীকে এখনই ছাড়তে হচ্ছে না গুলশানের বাড়ি

গুলশানের এই বাড়ি এখনই ছাড়তে হচ্ছে না সালাম মুর্শেদীকে
গুলশানের এই বাড়ি এখনই ছাড়তে হচ্ছে না সালাম মুর্শেদীকে
Picture of প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশানের বাড়ির দখল ও অবস্থান নিয়ে স্থিতাবস্থা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত।

রবিবার আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে আবদুস সালাম মুর্শেদীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও সাঈদ আহমেদ রাজা। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

চেম্বার আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী আহসানুল করিম সকাল সন্ধ্যাকে বলেন, বাড়ির দখল ও অবস্থানের ওপর চেম্বার আদালত আট সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা দিয়েছেন। এর ফলে বাড়ির অবস্থান এখন যেমন আছে, তেমনই থাকবে।

আট সপ্তাহের পর কী করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ সময়ের মধ্যে যদি সার্টিফাইয়েড কপি না পাওয়া যায়, নিয়মিত আপিল না করি, তাহলে স্থিতাবস্থার সময় বাড়িয়ে নেব।”

সালাম মুর্শেদীর গুলশানের বাড়িকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি উল্লেখ করে তিন মাসের মধ্যে এ সম্পত্তি সরকারকে বুঝিয়ে দিতে গত ১৯ মার্চ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। পরে এ রায় স্থগিত চেয়ে সালাম মুর্শেদী আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

আবদুস সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা গুলশান-২ এর ১০৪ নম্বর সড়কে অবস্থিত সি ই এন (ডি)-২৭ এর ২৯ নম্বর বাড়ি নিয়ে ২০২২ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

আবেদনে বলা হয়, বাড়িটি ১৯৮৬ সালের অতিরিক্ত গেজেটে ‘খ’ তালিকায় পরিত্যক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত। কিন্তু আবদুস সালাম মুর্শেদী সেটি দখল করে বসবাস করছেন।

রিটে ২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল, ২০১৬ সালের ২০ জানুয়ারি ও ২০২২ সালের ৪ জুলাই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানকে দেওয়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তিনটি চিঠি যুক্ত করা হয়।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে দেওয়া চিঠিতে পরিত্যক্ত বাড়ির তালিকা থেকে বাড়িটি অবমুক্ত না হওয়ার পরও আবদুস সালাম মুর্শেদী কীভাবে বাড়িটি দখল করে আছেন, রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে এ ব্যাখ্যা চেয়েছিল গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। কিন্তু রাজউক চেয়ারম্যান সে চিঠি আমলে না নেওয়ায় ফের ২০২২ সালের ৪ জুলাই চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে পরিত্যক্ত বাড়ির তালিকা থেকে ভবনটি অবমুক্ত না হওয়ার পরও কীভাবে রাজউক চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে সেটির নামজারি ও দলিল করার অনুমতি দেওয়া হলো সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু রাজউক চেয়ারম্যান সে ব্যাখ্যা দিতে অনীহা দেখান।

রিটের পর ২০২২ সালের ১ নভেম্বর আদালত রুল জারি করে আদেশ দেন।

রুলে বাড়িটি বেআইনিভাবে দখলে রাখার অভিযোগে আবদুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। আর বাড়ি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র হলফনামা আকারে দাখিল করতে নির্দেশ দেন।

এরপর দীর্ঘ রুল শুনানি শেষে ১৯ মার্চ রায় ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত