Beta
সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

বিএনপি-জামায়াতকে উগ্র সন্ত্রাসী স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আখ্যা দিয়ে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি বলেন, এরা রাষ্ট্রের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু, সাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্রের শত্রু, সন্ত্রাসী, জঙ্গি।

এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই এটা পারবেন। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য শেখ সেলিম এসব কথা বলেন।

শেখ সেলিম বলেন, দেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে কোনও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যাতে রাজনীতি করতে না পারে সেজন্য এ দাবি করছি। এরা যেন রাজনীতির নামে বাংলাদেশে খুন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনও দয়া মায়া দেখানোর সুযোগ নেই।

বিএনপির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এরা জঙ্গি সন্ত্রাসী স্বাধীনতা বিরোধী গোষ্ঠী। তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনও অধিকার নেই। তারা সংবিধানকে তোয়াক্কা করে না। যারা সংবিধান নির্বাচন মানে না তারা আবার কী রাজনীতি করবে?

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যে যারা ছিলেন তাদের সন্ধানে কমিশন গঠনের প্রস্তাবও করেন শেখ সেলিম। তিনি বলেন, কারা এর পেছনে জড়িত ছিল তা বেরিয়ে আসবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে পারে তারা যেকোনও ঘটনা ঘটাতে পারে।

দেশের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সাথে বৈঠক করে। কীভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি করা যায়, উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বন্ধ করতে তারা ষড়যন্ত্র করছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর চারপাশে যে শক্তিগুলো ছিল সেখান থেকে ষড়যন্ত্র না হলে বঙ্গবন্ধুর গায়ে কেউ হাত দিতে পারত না। বড় একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ঘুরে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।

জিয়াউর রহমানকে আইএসআই এজেন্ট উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে। তার পড়াশোনাও পাকিস্তানে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালে আইএসআই এজেন্ট হিসেবে জিয়াকে বাংলাদেশ পোস্টিং দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধের জন্য বিএনপি-জামায়াত একের পর এক নাশকতা শুরু করে। লণ্ডনে বসে তারেক জিয়া অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দিয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চায়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist