Beta
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪
Beta
বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০২৪

প্রথম ম্যাচেই শরিফুলের হ্যাটট্রিক

Capture
Picture of ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ইনিংসের শেষ ওভারে এতটাও হয়তো ভাবেননি শরিফুল ইসলাম। অথচ ভাগ্য তাকে উপহার দিল হ্যাটট্রিক। ইনিংসের শেষ তিন বলে খুশদিল শাহ, রস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ক্যাচ আউট করে ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেন শরিফুল। কুমিল্লা নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে করল ১৪৩ রান।

বিপিএলে মিরপুরের উইকেটে পরিবর্তন আসবে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এমনটাই বলেছিল বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটি। সেই কথা বিবেচনায় রেখে টস জিতেও বোলিং নিয়েছে দুর্দান্ত ঢাকা। কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে উইকেটের আচরণ দেখে নিতে চেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেনরা।

সেই চেষ্টায় তারা সফল। মাত্র দুই ওভার পরেই মোসাদ্দেক বুঝলেন পিচে নতুন কিছু নেই। সেই পুরোনো স্পিন নির্ভর মিরপুরের উইকেট। তাই জাতীয় দলের দুই পেসারকে মাত্র দুই ওভারে টেনেই বদল করেন বোলিং আক্রমণ।

তৃতীয় ওভার থেকে আরাফাত সানিকে টেনে শুরু হয় স্পিন আক্রমণ। ৬ বোলারের আক্রমণে স্পিনার ছিলেন চারজন। উইকেট ঘোষনা মতো ব্যাটিং নির্ভর ছিল না। উইকেটে টিকে থেকে রান করতে পেরেছেন ইমরুল ও হৃদয়। তবে ব্যাটিং উইকেটে যে স্বচ্ছন্দ্য ব্যাটাররা পেয়ে থাকেন তা ছিল না মিরপুরের উইকেটে।

তাই ফুল ফ্লোতে রান করতে পারেননি কুমিল্লার ব্যাটাররা। ছক্কা চারে শুরু করা লিটন দাস ১৬ বলে মাত্র ১৩ করে আউট হন। চাতুরঙ্গা ডি সিলভার টার্ন নেয়া বলে মিসটাইম করে পয়েন্টে ক্যাচ দেন লিটন।  

দুই ওভার পর তাসকিনকে আবারও বোলিংয়ে ফেরানো হলেও এই পেসার রান দিয়েছেন। স্পিন পিচে গতির ঝঢ় তুলতে গিয়ে শর্ট পিচ ডিলেভারি দিয়ে এক ওভারে দেন ১৫ রান। প্রথম পাওয়ার প্লে’র মাঝে এ ওভারেই সবচেয়ে বেশি রান নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

ষষ্ঠ ওভার শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান নেওয়া কুমিল্লা ১০ ওভার শেষে করে মাত্র ৬৩। ইমরুল কায়েস ও তাওহিদ হৃদয় মিরপুরের উইকেটে হাত খুলে খেলতে পারছিলেন না। তাই রানও আগায়নি।

বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি, চাতুরঙ্গা ডি সিলভা, পাকিস্তানের লেগ স্পিনার উসমান কাদিররা মিরপুরের পিচ থেকে ভালোই টার্ন পাচ্ছিলেন। টার্নের বিপরীতে খেলতে গিয়ে ইমরুল ২৩ রানে ক্যাচ তুলে দেন। মোসাদ্দেক বল হাতে রাখতে না পারায় জীবন পান কুমিল্লার এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।

সুযোগ পেয়ে দারুণ ভাবেই কাজে লাগিয়েছেন ইমরুল। উইকেটে থেকে রান তুলে পেয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৪তম ফিফটি। শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ২ ছক্কা ও ৬ চারে ৬৬ রান করেন ইমরুল।

ফেরার আগে অপরপ্রান্তে থাকা তাওহিদকে নিয়ে দলকে ভালো জুটিও এনে দিয়েছেন। দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল-তাওহিদ ৮১ বলে তুলেছেন ১০০ রান। শেষ পর্যন্ত এ জুটি থেমেছে ১০৭ রানে। হৃদয় ২ ছক্কা ও ১ চারে ৪১ বলে ৪৭ করে ফিরেছেন। শেষদিকে ২ ছক্কায় ১৩ রান করেন খুশদিল শাহ।

ঢাকার হয়ে ৪ ওভারে শুরুতে রান দেয়া তাসকিন ৩০ রান দেন। শেষ ওভারে ২ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। চাতুরঙ্গা ৩ ওভারে ২২ রানে ১ উইকেট ও শরিফুল ৪ ওভারে ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন।  

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত