Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর সুপারিশ

ss tobbaco-08-02-24
Picture of প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

প্রতিবেদক, সকাল সন্ধ্যা

রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে বিড়ি-সিগারেটসহ সব ধরণের তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তামাকবিরোধীরা।

বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তামাকবিরোধীদের সংগঠন অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) তাদের সুপারিশ তুলে ধরেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

সভায় আত্মার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তামাকবিরোধীদের কর ও মূল্যবিষয়ক প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে অতিরিক্ত ৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে প্রায় এগারো লাখের বেশি মানুষের অকালমৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

প্রাক-বাজেট সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আত্মার প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুকান্ত গুপ্ত অলোক, আত্মার কনভেনর মর্তুজা হায়দার লিটন, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ ও মিজান চৌধুরী, চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র নিউজ এডিটর মীর মাশরুর জামান রনি এবং দি ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট দৌলত আক্তার মালা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে নিম্ন স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণ করে ৬৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করে আত্মা। মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ৭৫ টাকা, উচ্চ স্তরের খুচরা মূল্য ১২৫ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ১৬৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। এই তিনটি স্তরে সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়।

প্রাক-বাজেট সভায় ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়। প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৫৫ টাকা এবং ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করে ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া সব ধরনের তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়।

প্রাক-বাজেট সভায় এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “আগামী অর্থবছরের বাজেটে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যাডভেলোরেম এর পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

বাংলাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাক (ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন) ব্যবহার করেন, তামাক ব্যবহারের কারণে দেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬১ হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত