Beta
সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

উত্তেজনার মাদ্রিদ ডার্বিতেও রেফারিং বিতর্ক

এই গোল বাতিল নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। ছবি : এক্স

লা লিগায় রেফারি নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। জাভি এর্নান্দেস তো বলেই দিয়েছেন,‘‘মৃত্যুর হুমকি ছাড়া রেফারিং নিয়ে কথা বলব না।’’

এর মাঝেই মাদ্রিদ ডার্বিতে ঘটল রেফারিং বিতর্ক। উত্তেজনার ম্যাচটা শেষ হয়েছে ১-১ গোলের ড্রতে। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ২০ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল রিয়াল। ম্যাচের আগে গা গরমের সময় চোট পাওয়া ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জায়গায় নেমেছিলেন দিয়াজ।

৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। স্তব্ধ হয়ে যায় বার্নাব্যু। তবে ৫০ মিনিটে স্তেফান সাভিচের গোল বাতিল না হলে জিততেও পারত অ্যাতলতিকো।

কী ঘটেছিল

আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের কর্নারে হেডে বল জালে জড়িয়েছিলেন সাভিচ। সে সময় গোলরক্ষক লুনিনের সামনে ছিলেন অ্যাতলেতিকোর সাউল নিগেস। এজন্য ভিএআর সংকেত পাঠায় মাঠের রেফারিকে। ভিএআরের সাহায্যে রেফারি বাতিল করেন গোল।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের গোল। ছবি : এক্স

অ্যাতলেতিকোর আপত্তি

এখানেই আপত্তি অ্যাতলেতিকোর। তাদের দাবি সাভিচের হেডের সময় মোটেও নড়াচড়া করেননি সাউল, এমনকি হেডের জন্য লাফও দেননি, তাই এটা অফসাইড নয়।

আইন কি বলছে

আইন অবশ্য বলছে, অফসাইড পজিশনে থাকা খেলোয়াড় গোলের এলাকায় ও পথে থাকলে রেফারি অফসাইড ধরে নিবেন। পাশাপাশি আরেকটা আইনও আছে। অফসাইড পজিশনে থাকা খেলোয়াড়ের সঙ্গে সর্বশেষ ডিফেন্ডার  ও গোলরক্ষকের দূরত্ব মূল্যায়ন করা হবে। দুটি বিবেচনাতেই সাউলকে অফসাইড মনে হয়েছে রেফারির।

দমিনগুয়েজের ক্ষোভ

সাউলকে অফসাইড দেওয়ায় নিজের ক্ষোভ ধরে রাখতে পারেননি ২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদে খেলা আলভারো দমিনগুয়েজ। তিনি বলেছেন,‘‘আমাদের পয়েন্ট চুরি করা হয়েছে। এভাবে একটা লিগ চলতে পারে না।’’

পয়েন্ট তালিকা

এই ড্রতেও শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। ২৩ ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট ৫৮। সমান ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জিরোনা। ৫০ পয়েন্ট নিয়ে বার্সেলোনা আছে তিনে। আতলেতিকোর পয়েন্ট ৪৮, তারা আছে চারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত

Add New Playlist