Beta
মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
Beta
মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪

মিয়ানমার থেকে আসছে অস্ত্র-গুলি, গ্রেপ্তার ৫

মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে আনা অস্ত্র ও গুলিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে আনা অস্ত্র ও গুলিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবি : সকাল সন্ধ্যা
Picture of আঞ্চলিক প্রতিবেদক, কক্সবাজার

আঞ্চলিক প্রতিবেদক, কক্সবাজার

ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের মতো মাদকের পর এবার মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসছে জি থ্রি রাইফেল, রকেট শেলের মতো অস্ত্র।

টানা ৭২ ঘণ্টার অভিযানে উখিয়া ও টেকনাফ থেকে বিভিন্ন ধরনের ভারী আগ্নেয়াস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকালে কক্সবাজার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মূলত অস্ত্র ব্যবসায়ী। মিয়ানমার থেকে অস্ত্র এনে বাংলাদেশের অপরাধীদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়াই এদের কাজ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, উখিয়ার মাদারবুনিয়া এলাকার মোস্তাক আহম্মদ (৩৭), কাশেম ওরফে মনিয়া (৩৮), লতিফা আক্তার (৩৪), মহেশখালীর মাঝের ডেইল এলাকার রবিউল আলম (২৮) ও ও নতুন বাজার এলাকার বেল্লাল হোসেন (৩৮)।

অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে, জার্মানির তৈরি একটি জি থ্রি রাইফেল, এক ম্যাগাজিন, দুটি ওয়ান শ্যুটার গান ও ৯২ রাউন্ড গুলি।

সংবাদ সম্মেলনে মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানান, উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন স্থানসহ বিভিন্ন এলাকায় টানা ৭২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়েছেন তারা। ডাকাত ও অস্ত্র ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে অস্ত্র ও গুলি এনে হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয়।  

প্রথমে উখিয়ার মাদারবুনিয়ার গহীন পাহাড়ে মোস্তাক নামে এক ডাকাতের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই স্থান থেকে রবি আলম, কাশেম এবং মোস্তাকের স্ত্রীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুটি ওয়ান শ্যুটার গান (এলজি), ৭৭ রাউন্ড গুলি এবং ২৪টি গুলির খোসা।

বেলাল নামে আরেকজন টেকনাফ থেকে পালিয়ে মহেশখালী যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফের শাপলাপুর এলাকায় সমুদ্র তীরবর্তী ঝাউবাগানের বালির নিচে রাখা একটি বিদেশি জি থ্রি রাইফেল, একটি ম্যাগাজিন ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

মোস্তাক একাধিক ডাকাতি, অস্ত্র, মাদক মামলার আসামি জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, তার বিরুদ্ধে চারটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মূলতবি রয়েছে। রবি আলমের বিরুদ্ধে চারটি মামলা আছে।

নতুন করে এদের বিরুদ্ধে উখিয়া ও টেকনাফ থানায় অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এসব মামলায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে বুধবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন গহীন লাল পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠি আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) আস্তানার সন্ধান পায় র‌্যাব। যেখানে টানা ছয় ঘণ্টার অভিযানে অস্ত্র, গ্রেনেড ও রকেট শেলসহ দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

ad

সর্বাধিক পঠিত