২৫ দিনে ২৫৮ কোটি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৯:০০
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে; চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলের ২৫ দিনে প্রায় ২৫৮ কোটি (২.৫৮ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা।
এই অঙ্ক গত বছরের এপ্রিলের একই সময়ের চেয়ে ১৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রথম ২৫ দিনে ২২৫ কোটি ১০ লাখ (২.২৫ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা; পুরো মাসে এসেছিল ২৭৫ কোটি ২৩ লাখ (২.৭৫ বিলিয়ন) ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রবিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য জানিয়েছেন।
অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকের ঊর্ধ্বগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে সকাল সন্ধ্যাকে তিনি বলেন, “রোজার ঈদের পরও রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখেও বেশি আসবে। আশঙ্কা করা হচ্ছিল মধ্যপাচ্যে যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যাবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রভাব পড়েনি।”
তিনি বলেন, “প্রতিবারই দুই ঈদের পর রেমিটেন্স প্রবাহ বেশ কমে যায়। এবার কমেনি। এটা আমাদের অর্থনীতির জন্য ভালো।”
বাংলাদেশ ব্যাংক এখন রেমিটেন্স প্রবাহের প্রতিদিনের তথ্য প্রকাশ করে। তাতে দেথা যায়, চলতি এপ্রিল মাসে প্রথম ২৫ দিনে (১ থেকে ২৫ এপ্রিল) ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৫৮ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
রেমিটেন্সে প্রতি ডলারে এখন ১২৩ টাকার মতো দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। সে হিসাবে এপ্রিলের ২৫ দিনে ৩১ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতিদিনে গড়ে এসেছে ১০ কোটি ৩১ লাখ ডলার; টাকায় ১ হজার ২৬৮ কোটি টাকা।
মাসের বাকি পাঁচ দিনে (২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল) এই হারে এলে মাস শেষে রেমিটেন্সের অঙ্ক ৩০৯ কোটি (৩.০৯ বিলিয়ন) ডলারে গিয়ে পৌঁছবে। আর সেটা যদি হয়, তাহলে টানা পাঁচ মাস ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলারের বেশি রেমিটেন্স আসবে দেশে।
ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি—টানা তিন মাস ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলারের বেশি রেমিটেন্স আসে দেশে। মার্চ মাসে আসে আরও বেশি পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার।
আর এই রেমিটেন্সের উপর ভর করেই যুদ্ধের ধাক্কায় ওলোটপালট হয়ে যাওয়া বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যেও রিজার্ভ সন্তোষজনক অবস্থায় অবস্থান করছে। এই সূচক নিয়ে আর কোনো উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নেই।
সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত (৯ মাস ২৫ দিন, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল) মোট ২ হাজার ৮৭৮ কোটি ৭০ লাখ (২৮.৭৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।
অর্থবছরের বাকি সময়ে (২ মাস ৫ দিন, ২৬ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন) এই হারে এলে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার ৩৫ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫০০ কোটি) ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে আসবে বলে হিসাব বলছে।
গত মার্চ মাসে পৌনে ৪ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। একক মাসের হিসাবে যা সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এক মাসে এত রেমিটেন্স দেশে আসেনি।
রোজা ও ঈদ সামনে রেখে ওই রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছিল গত বছরের মার্চে, ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ (৩.২৯ বিলিয়ন) ডলার। ওই মাসেও রোজা ও ঈদ সামনে রেখে রেকর্ড হয়েছিল প্রবাসী আয়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চালায়। পাল্টা হামলা চালায় ইরান; শুরু হয় যুদ্ধ। দুই মাস হতে চলেছে; যুদ্ধ চলছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেছে। মধ্যপ্রাচ্য এখন যুদ্ধের কবলে। তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশি কর্মীদের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। এখন পর্যন্ত কয়েকজন বাংলাদেশি কর্মীর প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, আহত হয়েছেন অনেকে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মূল কেন্দ্র উপসাগরীয় ছয়টি দেশে নতুন কর্মী পাঠানো কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে প্রবাসী আয়ে (রেমিটেন্স) বড় ধরনের ধাক্কার আশঙ্কা করছেন সবাই। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রভাব পড়েনি।
প্রতিবছরই দুই ঈদকে সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের বাড়তি খরচ মেটাতে বেশি বেশি রেমিটেন্স দেশে পাঠান প্রবাসীরা। সবাই আশঙ্কা করছিলেন, যুদ্ধের কারণে এবার সেই প্রবাহ কমে যাবে। কিন্তু তেমনটি এখনও দেখা যাচ্ছে না।
গত ২১ মার্চ দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। এর পরও রেমিটেন্স প্রবাহের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।
মে মাসের শেষের দিকে দেশে ঈদুল আজহা (কোরবানি ঈদ) উদযাপিত হবে। ওই ঈদকে সামনে রেখেও রেমিটেন্স বাড়বে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
দেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে এখন রেমিটেন্সই সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, যা সঙ্কটে পড়া অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে যাচ্ছে।
গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স আসে দেশে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে আসে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ৩ দশমিক শূন্য দুই বিলিয়ন ডলার।
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ (৩০.৩৩ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি।
গত অর্থবছরে প্রতি মাসে গড়ে রেমিটেন্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৭৪ লাখ (২.৫৩ বিলিয়ন) ডলার। আর চলতি অর্থবছরের নয় মাসের (জুলাই-মার্চ) হিসাবে গড়ে এসেছে ২৯১ কোটি ১৯ লাখ (২.৯১ বিলিয়ন) ডলার।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিটেন্স এসেছিল ২ হাজার ৩৯১ কোটি ২২ লাখ (২৩.৯১ বিলিয়ন) ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আসে ২ হাজার ২৬১ কোটি (২২.৬১ বিলিয়ন) ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি (২১.০৩ বিলিয়ন) ডলার।
২০২০-২১ অর্থবছরে আসে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি (২৪.৭৮ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে এসেছিল ১ হাজার ৮২০ কোটি (১৮.২০ বিলিয়ন) ডলার।
রিজার্ভ বাড়ছে
এদিকে সংকটের মধ্যেও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ বেড়ে চলেছে। গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিপিএম-৬ হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস বা মোট হিসাবে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার।
আগের সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস বা মোট হিসাবে ছিল ৩৫ দশমিক শূন্য চার বিলিয়ন ডলার।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে উল্লম্ফন এবং ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনার কারণে রিজার্ভ এই সন্তোষজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। বর্তমানের এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।
অর্থনীতির সামর্থ্য প্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সূচক রিজার্ভ। চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আগে রিজার্ভ কমতে কমতে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছিল। আর সেটা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছিল।
রিজার্ভের প্রধান দুই উৎস হচ্ছে রপ্তানি আয় ও রেমিটেন্স। গত আট মাস ধরে রপ্তানি আয় টানা কমলেও রেমিটেন্সের উল্লম্ফন অব্যাহত রয়েছে।
গত ৮ মার্চ রিজার্ভ থেকে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মেয়াদের ১৩৫ কোটি ৮৭ (১.৩৬ বিলিয়ন) ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করার পর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ কমে ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। আর গ্রস বা মোট নেমেছিল ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে।
এর পর রেমিটেন্সে ভর করে প্রতিদিনই রিজার্ভ বেড়েছে। ৯ এপ্রিল বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার। গ্রস হিসাবে ছিল ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার।
মে মাসের প্রথম সপ্তাহে আকুর মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধ করতে হবে। তার আগ পর্যন্ত রিজার্ভ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
সাড়ে ৪ মাসের আমদানি ব্যয় মিটবে
বাংলাদেশ ব্যাংক বিপিএম-৬ হিসাবের রিজার্ভকে তাৎক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হিসেবে দাবি করে।
সবশেষ গত ফেব্রুয়ারি মাসের আমদানির তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে দেখা যায়, ওই মাসে পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের ৬ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।
সে হিসাবে বর্তমানের ৩০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার তাৎক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে চার মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রা মজুদ থাকতে হয়।
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে এশিয়ার নয়টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রপ্তানি হয়, তার মূল্য প্রতি দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়।
আকুর সদস্য দেশগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। এর মধ্যে ভারত পরিশোধ করা অর্থের তুলনায় অন্য দেশগুলো থেকে বেশি পরিমাণে ডলার আয় করে। অন্যদিকে বেশিরভাগ দেশকেই আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় হিসাবে অতিরিক্ত ডলার খরচ করতে হয়।
ব্যাংকগুলো আমদানির খরচ নিয়মিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেয়, যা রিজার্ভে যোগ হয়। ওই দায় দুই মাস পরপর রিজার্ভ থেকে পরিশোধ করে দেওয়া হয়।
এক দশক আগে রিজার্ভের বাড়-বাড়ন্ত নিয়ে মধুর সমস্যায় ছিল বাংলাদেশ। রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর এই অর্থ অলস বসিয়ে না রেখে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা ছিল চিন্তার বিষয়।
কিন্তু ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ বেড়ে যায়। তাতে রিজার্ভ কমতে থাকায় দেখা দেয় উদ্বেগ।
রিজার্ভের পতন ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সরকার শেষের দিকে আইএমএফ থেকে ঋণ নেয়। তাদের শর্ত মেনে ২০২৩ সাল থেকে রিজার্ভের তথ্য গ্রস হিসাবের পাশাপাশি আইএমএফ অনৃসৃত বিপিএম-৬ পদ্ধতিও প্রকাশ শুরু করে।
এখন বিপিএম-৬ ও গ্রস হিসাবের পাশাপাশি রিজার্ভের নিট বা প্রকৃত হিসাবও করে থাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে সেটি নিয়মিত প্রকাশ করা হয় না। মাঝে-মধ্যে প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২১ সালের আগস্টে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ (তখন বিপিএম-৬ ও নিট হিসাবে প্রকাশ করা হতো না) ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে। সেখান থেকে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে ২০২৪ সালের জুলাই শেষে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল।