১২ কেজি এলপিজির দাম ৩৮ টাকা বাড়ল
মঙ্গলবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:২৪:০০
এবার বাড়ল এলপিজির দাম। কয়েক দফা কমার পর ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা।
চলতি ডিসেম্বরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা; অর্থাৎ ডিসেম্বরে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮ টাকা। গত মাসে কমেছিল ২৬ টাকা।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাম ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। সন্ধ্যা ৬টায় নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।
বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিকেজি ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০১ টাকা ২৪ পয়সা; অর্থাৎ এ মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা।
এই হিসাবে সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার এক হাজার ৩০৫ টাকা, ১৫ কেজির এক হাজার ৫৬৬ টাকা, ১৬ কেজির এক হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ কেজির এক হাজার ৮৮০ টাকা, ২০ কেজির দুই হাজার ৮৮ টাকা, ২২ কেজির দুই হাজার ২৯৮ টাকা, ২৫ কেজির দুই হাজার ৬১০ টাকা, ৩০ কেজির তিন হাজার ১৩৩ টাকা, ৩৩ কেজির তিন হাজার ৪৪৬ টাকা, ৩৫ কেজির তিন হাজার ৬৫৪ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম চার হাজার ৬৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।
প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।