Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪
Beta
রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪

নীতি-বিতর্ক

মজুরি কাঠামো নিয়ে গড়িমসি অসন্তোষ বাড়াবে

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। প্রতিকৃতি অঙ্কন: সব্যসাচী মজুমদার

সম্প্রতি তৈরি পোশাকশিল্প শ্রমিকদের যে নতুন বেতন কাঠামো হয়েছে, তাতে আগের সাতটি গ্রেড এখন পাঁচটি গ্রেডে বিন্যস্ত হয়েছে। সকাল সন্ধ্যা’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমিকদের অভিযোগ নতুন গ্রেডে বেতন-ভাতা যথাযথভাবে সমন্বয় হয়নি এবং এ থেকে পোশাকশিল্প শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেডিং নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে পোশাকশিল্পে একটা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে— বেশকিছু কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে, আবার খুলছে এবং শ্রমিক ছাঁটাইও হচ্ছে।

তৈরি পোশাকশিল্প শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো প্রণয়নের প্রস্তুতির সময় সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের পক্ষ থেকে আমরা একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলাম। সেই প্রতিবেদনে গ্রেডিং নিয়ে আমাদের মতামত ছিল। পরবর্তীকালে যখন নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর করা হয় তখনও আমরা গ্রেডিং নিয়ে অসন্তোষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম। গ্রেডিং নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের দুই থেকে তিন ধরনের কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, সাতটি গ্রেড থেকে যখন পাঁচটি গ্রেড করা হলো, এর ফলে যারা ওপরের দিকের গ্রেডে থাকবেন তাদের অনেকে নিচের দিকের গ্রেডের সমমানে চলে আসতে পারেন— যেমন গ্রেড পাঁচ-এ যারা থাকছেন তারাও এখন যারা গ্রেড সাত-এ থাকছেন বা নিচের দিকের গ্রেডে থাকছেন তাদের মতোই একই গ্রেডভুক্ত হয়ে যাবেন বা তেমনটা হবার মতো একটা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ফলে ওপরের গ্রেডের শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করবে। কেননা, গ্রেড পাঁচ বা গ্রেড ছয়-এর যে বর্তমান মজুরিবৃদ্ধি, তুলনামূলকভাবে সেটা অনেকটা মজুরি না বাড়ার মতোই একটা পরিস্থিতিতে থাকছে। হয়ত গ্রেড সাত-এর মজুরি বৃদ্ধিটাই এখন দৃশ্যমান হবে। এ কারণেই ওপরের দিকের গ্রেডে যারা থাকছেন তাদের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষ থাকাটা অমূলক নয়। কারণ এই গ্রেড সমন্বয়ের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও নীতিমালা মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় বলা হয়নি। হয়তো নামোল্লেখ করা আছে কারা কোন গ্রেডে থাকবেন কিন্তু সেটা স্পষ্ট নয়। কারণ বিভিন্ন গ্রেডের শ্রমিকরা বিভিন্ন সময়কাল ধরে কর্মরত আছেন। ফলে সে অনুযায়ী গ্রেডের সমন্বয় একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। আমার মনে হয় এসব কারণেই হয়তো অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।  

দ্বিতীয়ত, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ঘোষিত যে মজুরি কাঠামো সেটি আসলে কারখানাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কি না বা বাস্তবায়ন করছে কি না। ঘোষিত মজুরি কাঠামো অনুসরণ করা না হলে সেটা অবশ্যই শ্রমিকদের জন্য অসন্তোষের বড় কারণ। কারণ এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না যে, যা আইন হয়ে গেছে সেটিও কারখানাগুলো অনুসরণ করছে না। তারা টালবাহানা করছেন অথবা সঠিকভাবে মজুরি কাঠামো অনুসরণ করছেন না। আইনগতভাবেও এটা অপরাধমূলক একটি কাণ্ড যে ঘোষিত মজুরি কাঠামো যথাযথভাবে পরিপালিত হচ্ছে না। সুতরাং সে কারণেও শ্রমিকদের মধ্যে একটা অসন্তোষ থাকছে।

তৃতীয়ত, সবথেকে বড় যে বিষয় সেটি হলো, নতুন যে মজুরি কাঠামো ঘোষিত হয়েছে শ্রমিকদের প্রত্যাশার বিচারে সেটি হয়েছে অর্ধেকের মতো। নূন্যতম মজুরি হিসেবে সাধারণ শ্রমিকরা দাবি করেছিল ২৩,০০০ টাকার মতো, শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়েছিলেন ২০,৫৯৩ টাকা আর মজুরিকাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে ১২,৫০০ টাকায়। সুতরাং শ্রমিকদের প্রত্যাশার বিপরীতে প্রাপ্তি অর্ধেকের মতোই। কিন্তু সেটাও যদি বাস্তবায়নে গড়িমসি চলতে থাকে বা যথাযথভাবে সমন্বয় না করা হয় তাহলে সেটা তাদের জন্য হতাশার বটেই। বিশেষত এখন যে উচ্চমূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি চলছে সে প্রেক্ষিত থেকে দেখলে শ্রমিকদের অসন্তোষ খুবই স্বাভাবিক বলে মনে হয়। আমার মনে হয়, আমরা এখন তৈরি পোশাকশিল্প শ্রমিকদের মধ্যে যে অসন্তোষ দেখছি সেটা এসব পরিস্থিতিরই একটা প্রতিফলন।

বর্তমান মজুরি কাঠামোতে শ্রমিকদের যে বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে সেটি বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট নয় এবং আরেকটি মজুরি কাঠামোর জন্য আরও পাঁচ বছর অপেক্ষা করার সুযোগ নেই। আগামী দুই বছরের মধ্যেই মজুরি কাঠামো পুনরায় সমন্বয়ের প্রয়োজন আছে।

আরেকটি প্রশ্ন থেকে যায় শ্রমিকদের পদোন্নতি এবং তাদের কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন কিভাবে হচ্ছে তা নিয়ে। তবে, মনে রাখতে হবে যে পদোন্নতির প্রশ্নটি আলাদা। বর্তমান মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে এটা সম্পর্কিত নয়। এখনকার গ্রেড বিন্যাস এবং সমন্বয় অবশ্যই ঘোষিত মজুরি কাঠামো অনুসারেই হতে হবে।

কিন্তু এটা ঠিক যে, শ্রমিকদের পদোন্নতি নিয়ে অভিযোগ আছে এবং আমরাও গবেষণা করতে গিয়ে দেখেছি যে, একেবারে নিচের দিকে অনেক শ্রমিক বছরের পর বছর একই গ্রেডে থেকে যাচ্ছেন। কোনও কোনও শ্রমিক ছয়-সাত বছর বা তারচেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছেন কিন্তু তার পদোন্নতি হচ্ছে না বা তার কাজের মূল্যায়ন যথাযথভাবে হচ্ছে না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, অনেক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অনুসারে শ্রমিকদের গ্রেড প্রমোশন সঠিকভাবে হচ্ছে না।

ফলে, শ্রমিকদের পদোন্নতির নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। আসলে, গার্মেন্টস খাতে কাজের ধরন এবং প্রযুক্তিগুলো এমন যে, এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে একজন শ্রমিকের খুব বেশি সময় লাগে না। নতুন প্রযুক্তি আয়ত্ত্ব করার ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। অর্থাৎ গার্মেন্টস খাতের কাজে দক্ষতা তৈরি হতে শ্রমিকদের বেশি সময় লাগে না। ফলে একজন শ্রমিকের দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রেডে থেকে যাওয়ায় উৎপাদনশীলতার বিচারে যেমন কোনও লাভ হয়না তেমনি পদোন্নতি না হওয়ায় শ্রমিকের এবং তার পরিবারের জীবনমানেরও কোনও উন্নতি হয়না। একজন শ্রমিক কত বছর ধরে কাজ করবেন, সে বিচারে শ্রমিকের যে জীবনচক্র সেখানে সময়মতো পদোন্নতি না হলে তার জীবনেও অন্ধকার নেমে আসে কারণ সময়ের সাথে সাথে তার পরিবারের ব্যয় বাড়তে থাকলেও তার বেতন-ভাতা সে অনুসারে বাড়ে না। এসব কারণে সিপিডি’র প্রতিবেদনে আমরা বলেছি যে, শ্রমিকরা কোন গ্রেডে কতদিন থাকবেন, কোন ক্রাইটেরিয়ায় সেটা বিচার করা হবে সময়কালসহ সেসবও নির্দিষ্ট হওয়া উচিৎ। কিন্তু সেটা তো হয়নি বরং আমরা আগে দেখেছি যে, একই গ্রেডের মধ্যে এ-বি-সি করে একাধিক সাব-গ্রেড করে শ্রমিকদের দীর্ঘদিন একই গ্রেডে রেখে দেওয়ার একটা প্রবণতা কারখানাগুলোর রয়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের গ্রেড নির্ধারণ এবং পদোন্নতিসহ এসব ক্ষেত্রে ওপরে আলোচিত এমন নানা কৌশল অবলম্বন করাই হয় শ্রমিকদেরকে তাদের প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করা এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় শ্রমিকের কর্মদক্ষতা ও বেশি উৎপাদনশীলতার মধ্য দিয়ে সে যে কারখানার উন্নতিতে অবদান রাখছে, সেখান থেকে মালিক যে মুনাফা করছে সেসব থেকে শ্রমিককে বঞ্চিত করার জন্য। সুতরাং আমরা মনে করি, সরকারের শ্রম অধিদপ্তর এবং ‘ডিআইএফই’-এর (কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর) উচিৎ এসব ক্ষেত্রে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা। সরকার, কারখানা মালিকদের এসোসিয়েশনগুলো এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে ত্রিপক্ষীয়ভাবে শ্রমিকদের গ্রেডিং ও পদোন্নতির বিষয়ে কাজ করতে হবে, কারা কতদিন কোন গ্রেডে থাকবেন এবং কিভাবে পদোন্নতি হবে সেসব বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে সুরাহা হওয়া উচিৎ। একইসঙ্গে এখন যে সাতটি থেকে পাঁচটি গ্রেড হয়েছে সেক্ষেত্রে গ্রেডগুলোর সমন্বয় কিভাবে হবে সেটিও নির্ধারণ হওয়া উচিৎ বলে আমরা মনে করি।

বর্তমান শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষিতেও আমরা মনে করি, দ্রুততম সময়ে সরকারের শ্রম অধিদপ্তর ও ‘ডিআইএফই’-এর মালিকদের এসোসিয়েশন, শ্রমিকপ্রতিনিধি যারা মজুরিবোর্ডে ছিলেন এবং যারা সিনিয়র শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসে এই সংকট সুরাহা করতে হবে। কারণ, কারখানাগুলোতে বিভিন্ন রকমের পদে শ্রমিকরা চাকরি করছেন, সেসবের অনেক কিছুই ঘোষিত মজুরিকাঠামোতে সুনির্দিষ্ট করা থাকে না। তাই সব কারখানা যাতে একটা সাধারণ বিন্যাসের মধ্যে বিভিন্ন পদের সব শ্রমিকের জন্য যথাযথ মজুরিকাঠামো অনুসরণ করতে পারে সে বিষয়েও সবার ঐকমত্য প্রয়োজন। এভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে এসোসিয়েশনগুলো তাদের সদস্য কারখানাগুলোকে নির্দেশ দিতে পারবে যাতে সবাই যথাযথভাবে মজুরিকাঠামো অনুসরণ করে।

শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষার প্রশ্নে আরেকটি আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বলে থাকেন শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন মালিকদের একার পক্ষে সম্ভব নয় সরকারের এ বিষয়ে রেশনসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। কিন্তু বিষয়টি আসলে মালিকদেরই করবার কথা সরকারের নয়। কারণ, একজন শ্রমিক যে উৎপাদনশীলতা দিয়ে কারখানাকে এগিয়ে নেয়, কারখানা মালিকের মুনাফা নিশ্চিত করে তার বিপরীতে শ্রমিক যে মজুরি পায় তার মধ্যে আমরা প্রায়শই কোনও সম্পর্ক দেখতে পাই না। তবে এটা ঠিক যে, সরকারেরও এখানে আরও কিছু করবার আছে। সরকার যেহেতু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করছে, সেক্ষেত্রে শ্রমিক অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতেও সরকার এমন ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা আলাদাভাবে চালু করতে পারে। দ্বিতীয় বিষয় হলো শ্রমিকের আবাসনের প্রশ্ন। এটাও সরকারের পক্ষে করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সরকার যেটা করতে পারে, তা হলো যেসব এলাকায় শ্রমিকরা থাকছেন, শ্রমিক কলোনি গড়ে উঠছে, সেখানে বেসরকারি ভূমিমালিকদের জন্য সহজ শর্তে বাড়ি বানানোর জন্য ঋণ দেওয়া। যেখানে এখন টিনশেড বাড়ি তৈরি হচ্ছে সেখানে যাতে সহজে বহুতল বাড়ি বানাতে পারেন ভূমিমালিকরা। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে সরকার যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বেসরকারি ব্যাংক এবং সরকারের নিজেরও কোনও ঋণদান প্রকল্প চালু করে তার মধ্য দিয়ে শ্রমিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত আবাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।   

কিন্তু শ্রমিকের অধিকার ও কল্যাণের মূল বিষয়টা হলো, তৈরি পোশাক শিল্পে আমাদের প্রতিবেশি এবং প্রতিযোগী দেশগুলোতেও শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা এবং মজুরির মধ্যে আমরা যে আনুপাতিক সম্পর্ক দেখি সে তুলনায়ও আমাদের এখানে শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা ও মজুরির সম্পর্ক খুবই পিছিয়ে আছে, খুবই দুর্বল অবস্থায় আছে। এই খাতে আমরা ভিয়েতনামের সাথে তুলনার কথা প্রায়ই শুনি। কিন্তু ভিয়েতনামে শ্রমিকের মজুরি আর উৎপাদনশীলতার তুলনায় বাংলাদেশে শ্রমিকের উৎপাদনশীলতার বিপরীতে মজুরি অনেক কম।

সুতরাং, ন্যয্য মজুরি নিশ্চিত করা, মজুরি কাঠামো যথাযথভাবে অনুসরণ করা, কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শ্রমিকের জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করার প্রাথমিক দায়িত্ব ও কর্তব্য মালিকদেরই। শ্রমিকরা দিনশেষে যে মজুরি নিয়ে বাড়ি ফেরে অর্থাৎ যাকে ‘টেইক হোম পে’ বলে সেটি যাতে আরও বাড়ানো যায় সেটা মালিকদেরই নিশ্চিত করতে হবে।

পরিশেষে বলা দরকার, আমরা মনে করি, বর্তমান মজুরিকাঠামোতে শ্রমিকদের যে বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে সেটি বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট নয় এবং আরেকটি মজুরি কাঠামোর জন্য আরও পাঁচ বছর অপেক্ষা করার সুযোগ নেই। আগামী দুই বছরের মধ্যেই মজুরিকাঠামো পুনরায় সমন্বয়ের প্রয়োজন আছে। আমরা আশা করব সে লক্ষ্যে শ্রম অধিদপ্তর, মালিকদের এসোসিয়েশন এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ শিগগিরই আলাপ-আলোচনা শুরু করবেন। নতুবা এ ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ বাড়তে থাকবে। এছাড়া মজুরিকাঠামো যথাযথভাবে অনুসরণ করা না হলে কোনও কোনও পক্ষের শ্রমিক অসন্তোষে ইন্ধন দেওয়া বা উসকানোর ঘটনা ঘটারও সুযোগ থেকে যায়।

লেখক: অর্থনীতিবিদ ও গবেষণা পরিচালক, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ।

ad

আরও পড়ুন

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত